অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণই নতুন বাজেটের মূল দর্শন: অর্থমন্ত্রী ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের মূল দর্শন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, নাগরিকদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থা থেকে স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছাতে দুই বছর সময় লাগবে। তৃতীয় বছর হবে উত্তরণের সময়, আর চতুর্থ ও পঞ্চম বছর হবে বাংলাদেশের সমৃদ্ধির বছর।
সোমবার রাজধানীর গ্রিন রোডে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অডিটোরিয়ামে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও ইউএপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘দ্য ফিসকাল কম্পাস ২০২৬: বিয়ন্ড দ্য নাম্বার্স, শেপিং বাংলাদেশ’স ফিউচার—প্রপোজড ন্যাশনাল বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মাত্র দেড় মাসের মধ্যে জনগণের উচ্চ প্রত্যাশার প্রেক্ষাপটে বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। এ বাজেটের অন্যতম লক্ষ্য বৃহত্তর অংশগ্রহণ, অন্তর্ভুক্তি এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি।
তিনি সৃজনশীল অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্পদকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশীয় কারুশিল্প বিশ্ববাজারে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।