ছবি: সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনের যে তারিখ ঘোষণা করেছে, এ ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার কিছু জানে না।’
আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ব্রিফ করার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী এসময় সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার কিছুই জানে না। নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা আছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে ইসি। কিন্তু এবার সরকারের সঙ্গে কোনো বৈঠক করা হয়নি।’
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার বিষয়টি স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা আছে নির্বাচন করার।
তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সাধারণত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তুতি সভা, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাসহ প্রয়োজনীয় সভা করার পর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। এ ক্ষেত্রে বাজেটসহ বিভিন্ন বিষয়ও বিবেচনায় থাকে।
মীর শাহে আলম বলেন, আমি আবার রিপিট করছি, নির্বাচন কমিশন যে তারিখগুলো ঘোষণা করেছে, এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার এ ব্যাপারে কিছু জানে না।
এর আগে সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ইউপি নির্বাচনের পরিকল্পনা জানান।
তিনি বলেন, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ১২ নভেম্বর ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে। এ ধাপে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার তিনটি করে উপজেলা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব জেলায় ১০ বা তার বেশি উপজেলা রয়েছে, সেসব জেলার দুটি করে উপজেলায় ভোট নেওয়া হবে। এভাবে প্রথম ধাপে মোট ৮০টি উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।