ছবি: সংগৃহীত
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :ভারতের বাজারে সব থেকে বেশি বিক্রি হয়েছে ভিভোর স্মার্টফোন। তবে এ বছর অনেক ক্রেতা ফোন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েও শেষমেশ পিছিয়ে এসেছেন। মেমোরি চিপের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন ব্র্যান্ড একাধিকবার দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। আর তাই ২০২৬ সালের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারতের স্মার্টফোনের বাজার বার্ষিক ভিত্তিতে ১১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বাজারের মন্দার কারণ
এই মন্দার মূল কারণ ছিল ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ, যার ফলে নতুন ফোন কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে যান অনেকেই। স্মার্টফোন নির্মাতারা তাদের পণ্যের দাম, পোর্টফোলিও এবং বিক্রি সংক্রান্ত কৌশল পুনঃমূল্যায়ন করতে বাধ্য হয়।
ভিভো: শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে
২০ শতাংশ শেয়ার নিয়ে ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ভারতের স্মার্টফোন বাজারের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভিভো। তাদের ব্যাপক জনপ্রিয় ‘ওয়াই’ এবং ‘টি’ সিরিজের বড় অবদান অব্যাহত ছিল। তবে এই সিরিজগুলোর দাম বারবার বৃদ্ধি পাওয়ায় চাহিদার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়, যার ফলে বার্ষিক বিক্রিতে পতন ঘটে। এর মাঝেও প্রিমিয়াম মডেল ‘ভি৭০’ পোর্টফোলিওকে কিছুটা সহায়তা প্রদান করেছে।
অপো এবং স্যামসাংয়ের অবস্থান
কুড়ি হাজার রুপির ওপরের ক্যাটাগরিতে ‘এ৬’ ও ‘কে১৪’ সিরিজের দৌলতে বৃদ্ধি অর্জন করে ১৪ শতাংশ বাজার শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে অপো। অন্যদিকে, ভারতের স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে। তবে তাদের গ্যালাক্সি ‘এ’ এবং ফ্ল্যাগশিপ ‘এস’ সিরিজের প্রতি ক্রেতাদের ভালো চাহিদা বজায় ছিল। প্রধান মডেলগুলোতে আকর্ষণীয় গ্রীষ্মকালীন ছাড়ের কারণে বিক্রি বজায় রাখা সম্ভব হয়।
বেস্টসেলিং মডেল ও সিরিজসমূহ
ব্র্যান্ডের বিক্রির সিংহভাগ অবদান (১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ রুপি ক্যাটাগরি) এসেছে গ্যালাক্সি এ, এম এবং এফ সিরিজ থেকে। ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ২১ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ১৮.৪ শতাংশ শেয়ার নিয়ে বাজারের এক নম্বর স্থানে রয়েছে ভিভো। বাজেট এবং ভি-সিরিজের মিড-প্রিমিয়াম ফোনের জনপ্রিয়তার কারণে তারা এগিয়ে রয়েছে। অন্যান্য শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে শাওমি এবং রিয়েলমি।