ছবি: সংগৃহীত
গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল গত মঙ্গলবার একেবারেই তলানিতে ছিল। আগের দিনের তুলনায় সংখ্যাটি অপরিবর্তিত থাকলেও, এটা স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে অনেক কম। অন্যদিকে সামরিক চাপের পাশাপাশি আলোচনার দরজাও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে মঙ্গলবার মাত্র পাঁচটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্যে দেখা যায়, তরল গ্যাস ও বিটুমিনবাহী তিনটি ট্যাংকার প্রণালি পার হয়েছে। আর দুটি খালি ট্যাংকার প্রবেশ করেছে। সোমবার পার হয়েছিল মাত্র একটি জাহাজ, যেখানে ১০ দিনের গড় ১৫টি। তবে যাত্রাপথে অনেক জাহাজ সংকেত বন্ধ রাখায় সংখ্যাটি পরে বাড়তে পারে।
এদিকে, ইরান নিয়ে ওয়াশিংটনের কৌশল দুটি সমান্তরাল পথে এগোচ্ছে। এর একটি সামরিক চাপ এবং অপরটি নতুন করে আলোচনার পথ খোলা রাখা। ট্রাম্পের প্রচারণা বিষয়ক সাবেক পরিচালক রব আর্লেট আল জাজিরাকে এসব কথা জানান। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিষ্কার লক্ষ্য হলো প্রণালিটি খুলে দেওয়া এবং ইরানকে আলোচনায় ফেরানো।
সংঘাতের মধ্যেও কূটনৈতিক বিকল্প খোলা ছিল বলে জানান আর্লেট। তবে সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার জন্য তেহরানকেই দায়ী করেন তিনি। আর্লেট বলেন, চুক্তিতে সই হলেও ইরান তা মানেনি। উল্টো তারা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা শুরু করে চুক্তি শেষ করেছে। ভুললে চলবে না, ইরান সরকার নিজেই চুক্তি থেকে সরে গেছে।
তিনি আরও বলেন, তেহরান কী বলছে তার চেয়ে তারা কী করছে, সেদিকেই নজর ট্রাম্প প্রশাসনের। তারা সত্যিই আলোচনা চায়, নাকি স্রেফ খেলা খেলছে—তা সময়ই বলে দেবে।