ছবি: সংগৃহীত
উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মুদ্রার ব্যাপক দরপতনে ইরানের সাধারণ মানুষের উদ্বেগ এখন চরমে। যুদ্ধ-পরবর্তী অনিশ্চয়তা ও হতাশার কারণে চারদিকে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এক কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন পার করছে দেশটির সাধারণ মানুষ।
আল জাজিরার খবর অনুসারে, ইরান মূলত এখন বড় এক ক্রান্তিলগ্নে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে এখন দুই ধরনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একদিকে নতুন করে সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে কূটনীতি পুনরুদ্ধারের আশাও জেগেছে।
ইতিমধ্যে বেশ কিছু কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ওমানের একটি প্রতিনিধি দল তেহরান সফর করেছে। সেখানে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই আলোচনায় হরমুজ প্রণালির বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া দেশটিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দলও অবস্থান করছে। তারা মূলত ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান আলোচনা এগিয়ে নিতে কাজ করছে। এসব তৎপরতাকে একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে এর পাশাপাশি কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ চলমান আলোচনার সম্ভাবনাকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে এক ধরনের আস্থার সংকট ও অবিশ্বাসের মেঘ তৈরি হয়েছে।