ঢাকা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের দেড় মাস পর জাতীয় গ্রিডে বাড়ল গ্যাস সরবরাহ ১৭ বছরে সাড়ে ৪ হাজার বিএনপি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ মনগড়া নয়, দুদক প্রয়োজনে বিদেশে তথ্য চেয়ে চিঠি দেবে: দুদক সচিব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল রাজনৈতিক দলকে নিজেদের সংস্কার করতে হবে: ইফতেখারুজ্জামান সিসিকের নাগরিক সংবর্ধনা ও সুধী সমাবেশে রাষ্ট্রপতি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন এনসিপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া সালাউদ্দিন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: এনসিপির তীব্র নিন্দা
Advertise with us

১৭ বছরে সাড়ে ৪ হাজার বিএনপি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৮ বার পঠিত
১৭ বছরে সাড়ে ৪ হাজার বিএনপি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিএনপি-জামায়াতকে টার্গেট করে মানুষকে ধরে নিয়ে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডকে ক্রসফায়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে। ওই সময়ে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ওই সময়ে প্রায় ৭০০ বিএনপি নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। অসংখ্য জামায়াত নেতাকর্মীকেও গুম ও হত্যা করা হয়েছে। শুধু বিএনপি বা জামায়াত করার কারণেই তাদের ওপর এসব নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে ক্রসফায়ার ও গুম শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হয়েছে। সারা দেশে বর্তমানে একটি গুমের অভিযোগ রয়েছে, সেটি মিরাজ শেখের ঘটনা। বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতা ও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মিরাজ শেখের পরিবার যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য।

বাগেরহাটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সরকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি যত শক্তিশালীই হোন না কেন, এমনকি বিএনপির কোনো প্রভাবশালী নেতা তাকে রক্ষার চেষ্টা করলেও জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, খুন করে কেউ বাইরে ঘুরে বেড়াবে আর জনগণ মনে করবে খুন করলেও কিছু হয় না—এমন পরিস্থিতি হতে দেওয়া হবে না। পুলিশের হাত এখনো এতটা দুর্বল হয়নি। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে সভায় বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলিম, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাটের সিভিল সার্জন আসম মাহবুবুল আলম, বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্যসচিব মোজাফফর রহমান আলম ও বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এর আগে সকালে জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন আইনমন্ত্রী।

বিকেলে বিএনপির নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us