ঢাকা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃত্তি-উপবৃত্তিতে ‘সমতা’ নয়, ‘ইকুইটি-বেসড’ ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর ৮ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা নিয়ে সরকার কিছু জানে না: প্রতিমন্ত্রী টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান সড়কমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৭ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি পাবে জুলাই শহীদের পরিবার ফ্রিজে বরফ জমলে যেভাবে পরিষ্কার করবেন
Advertise with us

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১০ বার পঠিত
লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি

ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ার একটি ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৬৮ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাদের বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক এসব বাংলাদেশিকে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ কাজে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করেছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানব পাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের অনেকেই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা অভ্যর্থনা জানান। এ সময় জনসচেতনতা বাড়াতে লিবিয়ায় তাঁদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য তাঁদের অনুরোধ করা হয়।

আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিকে পথখরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ করছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us