ঢাকা
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কবর রচনা করবে বিরোধী দল: জামায়াত আমির ঢাকার ২ সিটিতে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা: উত্তরে সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণে সাদিক কায়েম শুধু ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, রাষ্ট্রের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি- শিবির সভাপতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ফেসবুক লাইভে আসবেন আসিফ মাহমুদ মানিলন্ডারিং মামলায় রিজেন্টের সাহেদকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ শিল্পকারখানায় কাল থেকেই বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ উন্নতির আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সন্ত্রাস দমনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করা হবে : আইনমন্ত্রী দুই মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গড়তে হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
Advertise with us

মানিলন্ডারিং মামলায় রিজেন্টের সাহেদকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১৭ বার পঠিত
মানিলন্ডারিং মামলায় রিজেন্টের সাহেদকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ

ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি।

এদিন আদালতে সাহেদের আইনজীবী দবির উদ্দিন তার জামিনের আবেদন করেন। তবে ওই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৭ মার্চ দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াতুল ইসলাম মোহাম্মদ সাহেদ ও তার স্ত্রী সাদিয়া আরবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে সাদিয়া আরবী ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন। তদন্তে তার নামে ৭৬ লাখ ২৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। এতে ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, সাহেদের স্ত্রী সাদিয়া আরবী ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব দেন। তবে যাচাই-বাছাই ও তদন্তে তার নামে মোট ৭৬ লাখ ২৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। এতে তিনি ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দেন।

তদন্তে আরও বলা হয়, পারিবারিক ব্যয়সহ সাদিয়া আরবীর অর্জিত সম্পদের মোট মূল্য দাঁড়ায় ৭৮ লাখ ২৩ হাজার ৬২৫ টাকা। বিপরীতে আয়কর নথিতে তার ঘোষিত আয় ছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ফলে ৭৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬২৫ টাকার সম্পদকে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে বলে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের অভিযোগ, সাদিয়া আরবীর নিজস্ব নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস ছিল না। তার স্বামী মোহাম্মদ সাহেদ অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ তার নামে হস্তান্তর, রূপান্তর ও গোপনের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন।

এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মোহাম্মদ সাহেদ এর আগেও বিভিন্ন জালিয়াতি, প্রতারণা, অস্ত্র ও চেক ডিজঅনারসহ একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। এসব মামলার মধ্যে কয়েকটিতে তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us