ঢাকা
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়াতে চান এলজিআরডি মন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য ও অপচয় রোধে মিলানের সঙ্গে কাজ করবে খুলনা চিকিৎসক-রোগী উভয়ের নিরাপত্তাই সরকারের অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী চলতি সপ্তাহেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা : ইসি সচিব নতুন গুম আইন দেশের বিচারব্যবস্থার মাইলফলক: চিফ প্রসিকিউটর ‘আমি পাঠান, ইচ্ছা হলে গুলি কর’, শাহরুখের চাঞ্চল্যকর তথ্য চট্টগ্রামে মাঠে গড়াচ্ছে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট
Advertise with us

নিরাপদ খাদ্য ও অপচয় রোধে মিলানের সঙ্গে কাজ করবে খুলনা

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১২ বার পঠিত
নিরাপদ খাদ্য ও অপচয় রোধে মিলানের সঙ্গে কাজ করবে খুলনা

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপদ খাদ্য ও খাদ্য অপচয় রোধে ইতালির মিলান সিটির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। এ লক্ষ্যে দুই শহরের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র নির্ধারণ ও কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সাক্ষাতে ইতালির মিলান সিটির সঙ্গে বাংলাদেশের একটি সিটি করপোরেশনের ফুড সিকিউরিটি ও খাদ্য অপচয় রোধে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মিলান সিটি ২০১৫ সাল থেকে ফুড সেফটি নিয়ে কাজ করছে। খাদ্য যাতে অপচয় না হয় এবং খাবার যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। এ জন্য বাংলাদেশের একটি শহর বেছে নিতে বলা হলে মিলানের সঙ্গে কাজের উপযোগিতা বিবেচনায় খুলনা সিটি করপোরেশনকে নির্বাচন করা হয়েছে।

মিলানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে খুলনা সিটিতে নিরাপদ খাদ্য ও খাদ্য অপচয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে তা নগর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, বাংলাদেশের স্থপতিদের প্রশিক্ষণ ও তাদের নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন ইতালির রাষ্ট্রদূত।

মীর শাহে আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থপতিদের উনারা প্রশিক্ষণ দিতে চান এবং স্থপতিদের নিয়ে কাজ করতে চান। সেই ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং কিছু স্থপতিদের উনারা সে দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা বলেছি যে, ঠিক আছে, সংখ্যা এবং পরিমাণ জানালে আমরা পাঠিয়ে দেব।’

বাংলাদেশ সরকারের ৩১ দফা ইশতেহারে দক্ষতা উন্নয়ন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং জনশক্তি রপ্তানির বিষয় রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতালিতে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে ইতালিয়ান ভাষা শেখানোর বিষয়ে দেশটির সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইতালি সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইতালি থেকে প্রশিক্ষকেরা বাংলাদেশে এসে স্থানীয় প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেবেন। পরে এসব প্রশিক্ষক বাংলাদেশি কর্মীদের ইতালীয় ভাষায় প্রশিক্ষণ দেবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইতালি থেকে প্রশিক্ষক পাঠিয়ে বাংলাদেশের কিছু প্রশিক্ষক তৈরি করা হবে। তাদের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে ভাষা প্রশিক্ষণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us