ঢাকা
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক বৈধভাবে যেতে পারবেন ইতালিতে আবারও দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ : রিজভী রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়াতে চান এলজিআরডি মন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য ও অপচয় রোধে মিলানের সঙ্গে কাজ করবে খুলনা চিকিৎসক-রোগী উভয়ের নিরাপত্তাই সরকারের অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী চলতি সপ্তাহেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা : ইসি সচিব নতুন গুম আইন দেশের বিচারব্যবস্থার মাইলফলক: চিফ প্রসিকিউটর
Advertise with us

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল বিভাগের রায় যেকোনো দিন

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ২ বার পঠিত
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল বিভাগের রায় যেকোনো দিন

ছবি: ফাইল ছবি

গাজীপুরের আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় যেকোনো দিন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

এ মামলায় আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, শিশির মনির ও রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা।

২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে মামলার আসামি বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত দুজন মারা যান।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়।

একইসঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন বহাল রাখেন হাইকোর্ট। আর সাজা কমেছে সাতজনের। খালাস পেয়েছেন ১১ জন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা ছয় আসামি হলেন- নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। যাবজ্জীবন বহাল রাখা হয় টিপু ও নুরুল আমিনের।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তারা হলেন- মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম ও মশিউর রহমান ওরফে মনু। এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া।

একইসঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী ও জাহাঙ্গীর। পরে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us