ঢাকা
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিমান মানুষ, সফরের সিদ্ধান্ত তার ওপর: ভারতীয় হাইকমিশনার টিভি চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠবে: চিফ হুইপ ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু ‘টক্সিক’ ব্যর্থতার মাঝেই নতুন সিনেমায় যশ ও কিয়ারা! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক বিচারকরা এআইয়ের সহায়তা নিতে পারেন, নির্ভরতা নয় : আইনমন্ত্রী সোনার দাম ভরিতে কমলো ৪৩৭৪ টাকা এক থেকে দেড় সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে : রিজভী হিমালয়ে বাড়ছে হিমবাহ ধসের ঝুঁকি, পরের বিপর্যয় কি আঁচ করা সম্ভব?
Advertise with us

বিচারকরা এআইয়ের সহায়তা নিতে পারেন, নির্ভরতা নয় : আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১৯ বার পঠিত
বিচারকরা এআইয়ের সহায়তা নিতে পারেন, নির্ভরতা নয় : আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

বিচারকরা রায় লেখার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তা নিতে পারেন, তবে এর ওপর নির্ভর করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার ক্ষেত্রে বিচারককে নিজের মেধা, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও সততা প্রয়োগ করতে হবে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এশিয়াটিক সোসাইটিতে আয়োজিত বাংলাদেশ এআই গভর্নেন্স সামার স্কুল-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, একজন বিচারক যখন রায় লিখবেন, তখন তিনি নথিপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবেন। তিনি যদি সাক্ষ্য-প্রমাণগুলো খুব সূক্ষ্মভাবে পর্যালোচনা করে রায় লেখেন, তাহলে সেখানে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু শুধুই এআইয়ের ওপর নির্ভর করলে, সেখানে হয়তো একটি চ্যালেঞ্জের বিষয় আসবে। তাই আমরা চাই না এআই নির্ভরতা তৈরি হোক। এআইয়ের সহায়তা নিতেই পারেন। যে কারও কাছ থেকেই সহায়তা নিতে পারেন। যে–কোনো জায়গা থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তবে সাক্ষ্য পর্যালোচনার ক্ষেত্রে বিচারককে নিজস্ব মেধা, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও সততা প্রয়োগ করতে হবে।

আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা এআই আইনসংক্রান্ত বিষয়ে যাচাই-বাছাই করছি। সাইবার সিকিউরিটি ল’র সঙ্গে কীভাবে এটাকে যুক্ত করা যায়। যারা এ নিয়ে গবেষণা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম করছেন, তাদের পক্ষ থেকে যদি আমাদের এআই সংক্রান্ত আইন খসড়ার ক্ষেত্রে কোনো সহযোগিতার হাত বাড়াতে চায়, আমরা সাদরে গ্রহণ করব।

এআই নিয়ে বিচারিক অঙ্গনে সবচেয়ে কঠিন সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে এমনিতেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ অনেকটা কঠিন। এরপরও যদি এআই ব্যবহার করে কেউ মিসলিড করতে চান, তাহলে গরিব, মধ্যবিত্ত গোষ্ঠী আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। ক্ষমতাধররাও ঝুঁকিতে পড়বেন। এমনকি একজন বিচারকও এই এআইয়ের মাধ্যমে মেলাইন হতে পারেন। পক্ষে রায় না দিলে তাকে মেলাইন করতে যা যা করণীয়, তো করতে পারেন। তাই এআই ব্যবহার নিয়ে বিচারকদের অনেক বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সোসাইটি অব জাস্টিস অ্যান্ড এআইয়ের (এসজেএআই) আহ্বায়ক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার তাসনুভা শেলী। সংস্থাটির উদ্যোগে গত ২৯ আগস্ট থেকে পাঁচ দিনব্যাপী এআইয়ের ওপর এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us