ঢাকা
১৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
এক দিন পরই সচল বড়পুকুরিয়ার ১ নম্বর ইউনিট হেরিটেজ রানে হাজারো নাগরিক, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ার আহ্বান তৃতীয়বারের মতন শাহ্জালালের দরগার দানবাক্স খোলা হলো, গণনা শুরু প্রয়াণের পরও নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণার প্রতীক বেগম জিয়া বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দেশজুড়ে বিএনপি-ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ স্বর্ণালঙ্কারের দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ১৫৮ টাকা
Advertise with us

বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬   ৬ বার পঠিত
বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ছবি: ফাইল ছবি

আজ ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এইদিন ভোরে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেন।

ওই হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবের স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে- শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল এবং শেখ মুজিবের একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের।

এছাড়া হত্যার শিকার হন রাষ্ট্রপতিকে বাঁচাতে ছুটে আসা তার সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দীন, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক।

একই রাতে সেনাসদস্যদের আরেকটি দল শেখ মুজিবের ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে। ওই রাতেই বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাকে ও তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, ভাতিজা সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় আবদুল নঈম খানকে হত্যা করা হয়।

স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় রচনা করে। শেখ মুজিব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা। তবে স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তাকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। ১৯৭৫ সালের শুরুতে তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা ‘বাকশাল’ চালু করেন, যা বিরোধী রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা ও অসন্তোষের জন্ম দেয়। এ পরিস্থিতিই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের তৎপরতা বাড়িয়ে তোলে। যার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ১৫ আগস্ট।

পঁচাত্তরের সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ও এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে ২০০৯ থেকে টানা ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দিনটি জাতীয় শোক দিবস ছিল। তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকীতে এখন আর সরকারি ছুটি নেই।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us