ঢাকা
১৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
এক দিন পরই সচল বড়পুকুরিয়ার ১ নম্বর ইউনিট হেরিটেজ রানে হাজারো নাগরিক, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ার আহ্বান তৃতীয়বারের মতন শাহ্জালালের দরগার দানবাক্স খোলা হলো, গণনা শুরু প্রয়াণের পরও নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণার প্রতীক বেগম জিয়া বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দেশজুড়ে বিএনপি-ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ স্বর্ণালঙ্কারের দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ১৫৮ টাকা
Advertise with us

ইয়েমেনের মোচা বন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৪

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬   ১০ বার পঠিত
ইয়েমেনের মোচা বন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৪

ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের লোহিত সাগরের কৌশলগত বন্দর শহর মোচায় ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা।

ইয়েমেন সরকারের তথ্যমতে, এই হামলায় চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তৈরি আঞ্চলিক উত্তেজনার আবহেই ইয়েমেনে এই হামলা নতুন করে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের চরম আশঙ্কা তৈরি করেছে।

ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, হুতিরা মোচা বন্দরের একাধিক অর্থনৈতিক ও সামুদ্রিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এতে এক বন্দর নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট চারজন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান। হামলায় কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে, অন্তত আটজন আহত হয়েছেন এবং এখনো দুইজন নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন।

হামলার দায় স্বীকার করে হুতি বাহিনী দাবি করেছে, তারা বন্দর এলাকায় থাকা সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর সামরিক সমাবেশ ও যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে।

পাশাপাশি, সৌদি আরবের নাজরান শহরে থাকা ‘সৌদি আরামকো’ তেল স্থাপনায় ড্রোনের সাহায্যে হামলা চালানোর দাবিও করেছে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের সা’দা প্রদেশের আকাশসীমায় সৌদি যুদ্ধবিমান প্রবেশের প্রতিবাদেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা জানায়। তবে এই ড্রোন হামলার বিষয়ে সৌদি সরকার বা আরামকো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে বড় আকারের যুদ্ধ থমকে থাকলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। সম্প্রতি লোহিত সাগর ও মোচা বন্দরে এই নতুন রক্তক্ষয় ইয়েমেনের শান্তি প্রক্রিয়াকে ফের গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিল। সূত্র: রয়টার্স

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us