ঢাকা
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
Advertise with us

গর্ভাবস্থায় মর্নিং সিকনেস সারানোর ঘরোয়া উপায়

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬   ১০৪ বার পঠিত
গর্ভাবস্থায় মর্নিং সিকনেস সারানোর ঘরোয়া উপায়

ছবি: সংগৃহীত

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বমি বমি ভাব এবং বমি, যা সাধারণত মর্নিং সিকনেস নামে পরিচিত। এই সমস্যা প্রায় ৭০-৮০% গর্ভবতী নারীদের প্রভাবিত করে, বিশেষ করে প্রথম ত্রৈমাসিকে। যদিও একে ‘মর্নিং’ সিকনেস বলা হয়, এর লক্ষণগুলো দিনের যেকোনো সময় দেখা দিতে পারে। যদিও হালকা বমি বমি ভাব গর্ভাবস্থার একটি স্বাভাবিক অংশ, এটি খাওয়া-দাওয়া, পানিপান এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। কিছু প্রাকৃতিক প্রতিকার রয়েছে যা এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করতে পারে-১. ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন বি৬ গর্ভাবস্থাজনিত বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। কলা, আলু, ছোলা, বাদাম, বীজ এবং মুরগির মাংসের মতো খাবারের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই এর গ্রহণ বাড়াতে পারেন। সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ শুরু করার আগে সব সময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

২. অল্প অল্প করে ঘন ঘন খাবার

খালি পেটে থাকলে বমি বমি ভাব বেড়ে যায়। প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পর পর অল্প অল্প করে খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে এবং উপসর্গগুলো কমতে পারে। টোস্ট, ক্র্যাকার্স, সাদা ভাত, দই, খিচুড়ি বা কলার মতো হালকা ও সহজে হজমযোগ্য খাবার বেছে নিন।

৩. শরীরকে আর্দ্র রাখুন

পানিশূন্যতা বমি বমি ভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। একবারে বেশি পরিমাণে পানি পান না করে, সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে পানি পান করুন। ডাবের পানি, পরিষ্কার স্যুপ, লেবুর পানি এবং ওরস্যালাইন (যদি আপনার ডাক্তার পরামর্শ দেন) শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করতে পারে।

৪. পুদিনা

পুদিনা চা বা শুধু পুদিনার গন্ধ শোঁকার মাধ্যমে বমি বমি ভাব কমানো যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় পরিমিত পরিমাণে পুদিনা সাধারণত নিরাপদ বলে মনে করা হয়। তবে আপনার যদি অ্যাসিড রিফ্লাক্স থাকে, তাহলে পুদিনা আপনার এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

৫. আকুপ্রেশার

বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, আকুপ্রেশার রিস্টব্যান্ড ব্যবহার করে কব্জির ভেতরের দিকে P6 (নেইগুয়ান) বিন্দুতে চাপ প্রয়োগ করলে বমি বমি ভাব কমাতে উপকার পাওয়া যায়। এই ব্যান্ডগুলো শরীরে কোনো রকম কাটাছেঁড়া ছাড়াই ব্যবহার করা যায় এবং উপসর্গ হালকা থেকে মাঝারি হলে এটি চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।

৬. তীব্র উদ্দীপক এড়িয়ে চলুন

গর্ভাবস্থায়ই গন্ধের প্রতি সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়। যেসব খাবার, পারফিউম বা রান্নার গন্ধ বমি বমি ভাব তৈরি করে, সেগুলো শনাক্ত করে এড়িয়ে চললে উপকার পাওয়া যেতে পারে। ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার খাবার খেলেও উপকার হতে পারে, কারণ গরম খাবারের তুলনায় এগুলোতে গন্ধ কম ছড়ায়। সূএ:  ঢাকা পোস্ট ডটকম

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us