ঢাকা
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বিরোধীদলের কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায় : পানিসম্পদ মন্ত্রী আমাদের লং মার্চ দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এ সরকার বিএনপির সরকার না, হাসিনার সরকার : অলি আহমেদ ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয় : নাহিদ ইসলাম হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান আবারও ভারতে ফিরছে আইপিএলের নিলাম পরমাণু অস্ত্র নিয়ে আইএইএ’র প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান উত্তর কোরিয়ার রাজধানীর ২ শতাধিক চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার স্কুলে এক শিফটের পক্ষে সরকার, অবকাঠামো না থাকায় সীমাবদ্ধতা: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল : এ পর্যন্ত গ্রেফতার ১৭৯
Advertise with us

এ সরকার বিএনপির সরকার না, হাসিনার সরকার : অলি আহমেদ

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৪ বার পঠিত
এ সরকার বিএনপির সরকার না, হাসিনার সরকার : অলি আহমেদ

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

এলডিপির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে, সেজন্য বিএনপি কর্মীদের ঘরে ঘরে হাহাকার শুরু হয়ে গেছে। এ সরকার বিএনপির সরকার না, হাসিনার সরকার। আমরা দেশকে সঠিক পথে আনার জন্যই লংমার্চ করছি। কোনো মুনাফেকের কথায় আপনারা বিপথগামী হবেন না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক মন্ত্রী অলি আহমেদ বলেন, বিএনপির প্রতিটি কর্মীর ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল শুরু হয়ে গেছে। কারণ হলো—একসময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী নেতা ক্রুশ্চেভ। হঠাৎ যখন তার বিরুদ্ধে রাস্তায় সংগ্রাম শুরু হলো, তখন তার মা ঘরে জোরে জোরে কান্নাকাটি শুরু করলেন। কান্না কিছুতেই থামছে না দেখে সবাই এসে জানতে চাইল—পৃথিবীর এত বড় নেতার মা হয়ে আপনি কেন কাঁদছেন? তখন মা জবাব দিলেন, ওর ক্ষমতা চলে গেলে আমাদের কী অবস্থা হবে? এই মার্বেলের বাড়ি, বড় বড় গাড়ি আর ভালো খাবার—এসব আমরা আর কোথায় পাবো?

তিনি বলেন, ক্ষমতার থেকে চলে গেলে আজকে বিএনপির একই অবস্থা, চাঁদাবাদী বন্ধ হয়ে যাবে, সন্ত্রাসী বন্ধ হয়ে যাবে, মাস্তানি বন্ধ হয়ে যাবে। তারেকের যে সরকার এটা বিএনপির সরকার না, এটা হলো হাসিনার সরকার। তারেককেও সাবধান হতে হবে, দেশবাসীকেও সাবধান হতে হবে।

অলি আহমেদ আরও বলেন, আমরা এই রোড মার্চ করছি শুধু দেশকে সঠিক পথে আনার জন্য, কোনো ক্ষমতার লোভে নয়, ব্যক্তিগত কোনো লোভে নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে থাকেন, বিপদগামী হবেন না। ফেসবুকে কে কি লিখলো, কোন মোনাফেক কি লিখলো, কোন বেইমান কি লিখলো, ভারতের দালালেরা কি লিখলো, সেটার দিকে গণ্ডপাত করবেন না। নিজের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে করবেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, সরকারকে পরিষ্কারভাবে বলছি, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রায় বাস্তবায়ন না করলে ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

তিনি বলেন, আমরা বর্তমান সরকারকে সতর্ক করার জন্য এই কর্মসূচিতে নাম নেমেছি। আমাদের আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব চলছে। বর্তমান সরকার বিএনপি মদিনার ইসলামের কথা বলেছেন। মদিনার ইসলামের কথা যদি বলে থাকেন আর যদি মদিনাওয়ালার সম্মান রক্ষা করতে চান কাদারিয়ার বিশ্বাসঘাতকতার পথ পরিহার করতে হবে। কোনো ভোটের গণরায় যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হন, ইতিহাসের পাতায় বিশ্বাসঘাতক পার্টি হিসেবে আপনারা চিহ্নিত হয়ে থাকবেন।

তিনি বলেন, লং মার্চ কর্মসূচি নিয়ে সরকার প্রধান থেকে তাদের দল এবং তাদের লেসপেন্সারদের সবার মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমরা বলতে চাই, আজ দল দায়িত্বপূর্ণ বিরোধীদলীয় ভূমিকা পালন করছে। আমরা হরতালে যাইনি। আমরা অপরাধে যাইনি। জনদুর্ভোগ যতটা লাঘব করা যায়, আমরা আমাদের কর্মসূচিতে নজিরবিহীনভাবে তার প্রতি লক্ষ্য রেখেছি।

মামুনুল হক বলেছেন, ১১ দল বাংলাদেশের আন্দোলন-সংগ্রামের অতীত ইতিহাস বদলে দিয়ে এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করবে। আমাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ এবং গণসম্পৃক্ত। গোটা দেশের কোটি কোটি জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করে যে আন্দোলন গড়ে উঠবে, তাতে বিএনপি জনগণের দাবি আদায়ে ব্যর্থ হলে ভেসে যাবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বর্তমান সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে যে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তা কোটি কোটি মানুষের কাছে তুলে ধরতেই তারা এই লংমার্চ করছেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকার জুলাই সনদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us