ঢাকা
১৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
চাঁদাবাজ ও ভূমি দখলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি ডিএমপি কমিশনারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ৭ম বৈঠক অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ ৬ দফা দাবি সাদপন্থীদের সৌদিগামী ফ্লাইট একের পর এক বাতিল, চাকরি হারানোর শঙ্কায় হাজারো প্রবাসীরা অন্য রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া পরিবারের নারীরাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: আমিনুল হক জুলাই গণহত্যার বিচারে অগ্রগতি নেই, চলছে মামলা-বাণিজ্য: হাসনাত সাংগঠনিক ও দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন চরমোনাই পীর দুই বছরের মাথায় পুনর্গঠিত হচ্ছে এনসিপি, নতুন পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন, হাসনাত, আসিফ ও সারজিস রাষ্ট্রের উদাসীনতায় অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারাচ্ছে মানুষ: সাদিক কায়েম বিএনপিকে শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক
Advertise with us

ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়তো সীমা ছাড়িয়েছিল, ট্রাম্পের মুখে কেন ভিন্ন সুর

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬   ২১ বার পঠিত
ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়তো সীমা ছাড়িয়েছিল, ট্রাম্পের মুখে কেন ভিন্ন সুর

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে সামরিক হামলা চালানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সীমা ছাড়িয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, এর ফলে ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য কোন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার ওহাইও অঙ্গরাজ্যে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো বেশি দূর এগিয়ে গেছে। এখন কার সঙ্গে কথা বলতে হবে, তা বোঝাও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প আরও বলেন, কার সঙ্গে আলোচনা করা হবে, তা নির্ধারণ করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, মনে হচ্ছে, এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো প্রয়োজনের চেয়ে বেশি দূর চলে গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে অর্থনৈতিক নীতি ও ইরান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে চাপে রয়েছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কার মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে তৈরি হয়েছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিজ দলের শক্ত ঘাঁটিগুলোতেও নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন তিনি।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াই ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে। এমারসন কলেজের সর্বশেষ জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৫৩ শতাংশ। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের সমর্থন ৪২ শতাংশ।

জরিপে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির হারও তুলনামূলক কম। মাত্র ৩৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন, আর অসন্তুষ্ট ৫৮ শতাংশ। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, শুল্কনীতি এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের একাংশের অসন্তোষ রিপাবলিকানদের নির্বাচনী হিসাবকে আরও জটিল করে তুলেছে। দলটির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত টেক্সাস ও ওহাইওতেও প্রার্থীদের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন ট্রাম্প। ওহাইওতে রিপাবলিকান সিনেটর জন হাস্টেডের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। আলাস্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতেও দলীয় প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে সক্রিয় রয়েছেন রিপাবলিকান নেতারা।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবগুলো এবং সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গভর্নর ও স্থানীয় আইনসভার হাজারো পদে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন ভোটাররা। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নির্বাচন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর পদে এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় ৬ হাজার ১৩৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে মাত্র চারটি এবং সিনেটে চারটি আসন নিজেদের দখলে নিতে পারলে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে।

সূত্র : আল-জাজিরা ও দ্য জেরুজালেম পোস্ট।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us