ঢাকা
০৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
৮ ঘণ্টার ব্যাটারি স্টোরেজ সুবিধাসহ রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সাকি ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি গণতান্ত্রিক উত্তরণে তরুণদের সক্রিয় থাকার আহ্বান আলী রীয়াজের একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ১ জানুয়ারি থেকে অবৈধ ফোন বন্ধ, নতুন করে চালু হচ্ছে এনইআইআর শিগগিরই আসছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন নেতৃত্ব, আলোচনায় যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কারণেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন: এমপি বরকত উল্লাহ বুলু গণভোট অবৈধ হলে বিএনপি সরকারও অবৈধ: মামুনুল হক পানির হিস্যায় ভারতকে এক চুলও ছাড় দেবো না: নাহিদ ইসলাম
Advertise with us

১ জানুয়ারি থেকে অবৈধ ফোন বন্ধ, নতুন করে চালু হচ্ছে এনইআইআর

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬   ২০ বার পঠিত
১ জানুয়ারি থেকে অবৈধ ফোন বন্ধ, নতুন করে চালু হচ্ছে এনইআইআর

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর আবার চালু করবে। চালুর দিন ঠিক হয়েছে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি। এবার ব্যবস্থাটির সঙ্গে অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধ করার সুবিধাও থাকবে। চালুর পর যেসব ফোন দেশে আনা হবে, সেগুলো এই সুবিধার আওতায় পড়বে।

২০২১ সালে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা শুরু হয়। হ্যান্ডসেট ট্র্যাকিং ব্যবস্থাকে পুরোপুরি চালু করার জন্য এটি বিটিআরসির তৃতীয় চেষ্টা।

এনইআইআর সরকারের একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ। মোবাইল নেটওয়ার্কগুলো এর মাধ্যমে ফোনের আইএমইআই নম্বর যাচাই করে। এতে অবৈধ বা চুরি যাওয়া ফোন বন্ধ করা যায়।

বিটিআরসি গত সপ্তাহের কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে।

এনইআইআর দুই ধাপে চালু হবে। প্রথম ধাপ শুরু হবে ১ জানুয়ারি। এই ধাপে ব্যবস্থাটির মূল নকশার প্রায় সব সুবিধা থাকবে। শুধু ডি-রেজিস্ট্রেশন থাকবে না।

ডি-রেজিস্ট্রেশন চালুর জন্য বিটিআরসি আগে সরকারের অনুমোদন চাইবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সেই অনুমোদন চাওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপের জন্য কোনো তারিখ ঠিক হয়নি। অনুমোদন পেলে তখন সুবিধাটি চালু হবে।

প্রথম ধাপে কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে তৈরি ও আমদানি করা হ্যান্ডসেট শনাক্ত করতে পারবে। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ফোনের বিক্রি ও ব্যবহারও ঠেকানো যাবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ব্যবস্থার ভেতরে হ্যান্ডসেটের মালিকানা এক ব্যবহারকারী থেকে আরেকজনের কাছে বদলানো যাবে। এতে প্রতিটি ফোনের সঙ্গে তার আসল বা সর্বশেষ মালিকের যোগ থাকবে। এই সুবিধা দ্বিতীয় ধাপের পরিকল্পনায় আছে।

তবে বিটিআরসির সভার কার্যবিবরণী মেনে নিয়েছে, প্রথম ধাপে ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ করা যাবে না। অপরাধমূলক কাজে এসব ফোন প্রায়ই ব্যবহার হয়।

মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে এখন যেসব হ্যান্ডসেট চালু আছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআরে নিবন্ধিত হবে। আমদানিকারকেরাও আইএমইআই নম্বর ও অন্যান্য তথ্য দিতে পারবেন। যেসব ফোন তারা আগেই আমদানি করেছেন কিন্তু এখনো বিক্রি করেননি, সেগুলোর তথ্য দেওয়া যাবে। গুদামে মজুত ফোনের তথ্যও দেওয়া যাবে। নথিতে এ কথা বলা হয়েছে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us