ঢাকা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর ৭৮ শতাংশ নিট কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, সংসদ-রাজপথে সরব থাকার ঘোষণা জামায়াতের জুলাই শহিদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসা-পরবর্তী খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে কৃষকদের সচেতন হতে হবে: রাষ্ট্রপতি ২০ কিলোমিটারের মেট্রোতে ব্যয় বাড়ছে দ্বিগুণের বেশি-প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে ভারতের সুনির্দিষ্ট উত্তর নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইসির অধীনে নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল-স্পিকার
Advertise with us

১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি করলেও দুদক আমার বিরুদ্ধে কিছু করতো না: আসিফ মাহমুদ

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ২০ বার পঠিত
১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি করলেও দুদক আমার বিরুদ্ধে কিছু করতো না: আসিফ মাহমুদ

ছবি: ফাইল ছবি

এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘১১ হাজার কোটি না, আমি যদি এর ১% অর্থাৎ ১১০ কোটি টাকারও দুর্নীতি করতাম তাহলে দুদক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করতো না।’

গতকাল রোববার নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘একটা আনপপুলার অপিনিয়ন দেই। ১১ হাজার কোটি না, আমি যদি এর ১% অর্থাৎ ১১০ কোটি টাকারও দুর্নীতি করতাম তাহলে দুদক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করতো না। এই করাপ্টেড রাষ্ট্রে পুরো সিস্টেম কিনে ফেলার জন্য কয়েক কোটি টাকাই যথেষ্ট। জায়গা মতো সালামি আর গিফ্ট পাঠিয়ে দিলে হাজার হাজার অভিযোগও কখনো অনুসন্ধানের মুখ দেখতো না।’

সৎ থাকাই ছিল বড় অপরাধ দাাবি করে তিনি আরো লেখেন, ‘মাঝেমধ্যে মনে হয় সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ। শুধু টাকা থাকার কারণে এস আলমরা টিকে যায় রাষ্ট্রের লাখ কোটি টাকা লোপাট করেও। বড় বড় নেতার ছেলেদের সাথে সমঝোতা করে বিসিবি ডিরেক্টর না বানানো, সমঝোতা করেফ্যাসিবাদের আইকন খেলোয়াড়কে দেশে না আনা, জোর করে সিটি কর্পোরেশনে বসতে সহযোগিতা না করা, গণপ্রতিরক্ষা বাস্তবায়নে তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ শুরু, ভারতীয় দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম ফেলানীর নামে নামকরণ করার সহ ভুঁড়ি ভুঁড়ি বোল্ড কাজ করার পরেও যে এখন পর্যন্ত রাজনীতিতে বেঁচে আছি এটাই অনেক।

তিনি লিখেছেন, ‘আমি আমার নীতি, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণের প্রশ্নে কখনো মাথানত করিনাই। শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকেই সমঝোতা না করে বোল্ড পজিশন বা চ্যালেঞ্জ নেয়াকে আমার ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখেন। রাজনীতিতে কম্প্রোমাইজ করে চললে হয়তো অনেক ভালো থাকতে পারতাম, তবে বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকা লাগতো সারাজীবন। এমন বড় বড় ক্ষমতাবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রের সাথে আপোষ করিনি যাদের কথা এই রাষ্ট্রের কেউই সহজে ফেলার সাহস করে না। এমনটা তো হওয়ারই ছিল।

 

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us