ঢাকা
০৪ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জনপ্রত্যাশার সংবিধান সংস্কার চান সালাহউদ্দিন আহমদ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আদালতের রায় ভায়োলেট হবে: তথ্য উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের সঙ্গে থাই রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, ৭ দিনের মধ্যে ভিসা প্রসেসে গুরুত্ব জুলাই যোদ্ধাদের গায়ে হাত দেবেন না, এটা হবে চরম নিমকহারামি : জামায়াত আমিরের সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক আজ ‘জামায়াতের হয়ে খেলতে আসিয়েন না’, নাহিদকে উদ্দেশ করে রাশেদ খান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট আজ ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় চলচ্চিত্রের ১৯ সংগঠনের মুখপাত্র হলেন জয় চৌধুরী রাশিয়া-ইউক্রেনে পাল্টাপাল্টি হামলা, একদিনে নিহত ২২
Advertise with us

নির্বাচনি ব্যয় ও শুভংকরের ফাঁকি

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬   ২০ বার পঠিত
নির্বাচনি ব্যয় ও শুভংকরের ফাঁকি

ছবি: সংগৃহীত

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু :হিসাবের মারপ্যাঁচে ধোঁকা দেওয়ার আরেক নাম ‘শুভংকরের ফাঁকি’। কাহিনি অনুযায়ী, শুভংকর নামে প্রাচীন বাংলার এক গণিতবিশারদ মুখে মুখে জটিল সব অঙ্ক কষে ফেলতেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে লোকজন তাঁর উপায়কে ভুলভাবে প্রয়োগ করে অন্যদের ঠকাতে শুরু করেছিল। হিসাবে নয়ছয় করে কাউকে ঠকানো অথবা নিজেকে সন্তুষ্ট রাখার এই প্রক্রিয়া ব্যক্তি পর্যায় থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন দৃঢ়ভাবে উন্নীত হয়েছে যে এই ফাঁকি থেকে বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাবে প্রকৃত ব্যয় ও প্রদর্শিত ব্যয়ের মধ্যে যে বিশাল ব্যবধান, তা সবার জানা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয়ভাবে শুভংকরের ফাঁকি এমনভাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে কোনো নির্বাচনে নির্বাচিত বা পরাজিত প্রার্থীরা তাঁদের নির্বাচনি ব্যয়ের অসত্য হিসাব নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করার মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে ‘হলফের অধীনে’ অন্যায়ের প্রথম সোপান অতিক্রম করেন।

সবাই জানেন, সংসদ নির্বাচনে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে একজন প্রার্থীকে কত ব্যয় করতে হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর তাঁর নির্বাচনি আসনে ভোটারসংখ্যার ভিত্তিতে ২৫ থেকে ৮৪  লাখ টাকার মধ্যে অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ভোটারসংখ্যা আড়াই লাখ পর্যন্ত ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর বেশি হলে প্রতিজন অতিরিক্ত ভোটারের জন্য মাথাপিছু ১০ টাকা হারে ব্যয় করতে পারেন। যেমন ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে ভোটারসংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন। সেখানে একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্ধারিত ব্যয় ৭৪ লাখ ৭১ হাজার টাকা, গাজীপুর-১ আসনে ভোটারসংখ্যা ছিল ৭ লাখ ২০ হাজার ৯৩৯ জন, সেখানে একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্ধারিত ব্যয় ৭২ লাখ ৯ হাজার টাকা। নোয়াখালী-৪ আসনে ভোটারসংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৩০০ জন এবং সেখানে একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্ধারিত ব্যয় ৭০ লাখ ৩ হাজার টাকা। প্রকৃত ব্যয় কত, তা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার প্রার্থীদের কাছে এবং যাঁদের জন্য ব্যয় করা হয়, তাঁদের কাছেও খোলা কিতাবের মতো।

ইতিমধ্যে গত সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গত সপ্তাহে নির্বাচনে তাদের দলগত ব্যয়ের বিবরণী নির্বাচন কমিশনে দাখিল করেছে।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার মধ্যে এই ব্যয় উপস্থাপন করার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ২৯১টি আসনে তাদের প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। প্রার্থীসংখ্যার অনুপাতে দলটির পক্ষ থেকে নির্বাচনি কাজে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিল। কিন্তু বিএনপি নির্বাচন কমিশনে দলের দাখিল করা ব্যয় বিবরণীতে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৭ টাকা ব্যয় দেখিয়েছে। অন্যদিকে সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে তাদের প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী জামায়াতও নির্বাচনি অভিযানে বিএনপির মতোই সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারত। কিন্তু তারা আইনে অনুমোদিত ব্যয়সীমার চেয়ে ৫২ হাজার ২৮ টাকা কম ব্যয় দেখিয়ে তাদের নির্বাচনি ব্যয় বিবরণীতে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২ টাকা ব্যয় প্রদর্শন করেছে।

প্রার্থীদের পেছনে দলগত ব্যয় হোক, অথবা প্রার্থীর একক ব্যয় হোক, সংশ্লিষ্ট দলের নেতা এবং মনোনীত প্রার্থীরা জানেন, নির্বাচনি অভিযানে ব্যয় কোনো নির্দিষ্ট অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা কারও পক্ষে সম্ভব হয় না। সকালে ঘর থেকে বের হয়ে গভীর রাতে ঘরে ফেরা পর্যন্ত খোলামকুচির মতো টাকা ছড়াতে হয়। ভোটারদের তুষ্ট করার জন্য হেন কাজ নেই, যা করা হয় না। অবশ্য ছোটখাটো কিছু দল, যারা কেবল দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে গুটি কয়েক আসনে কিছু প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয় এবং মর্যাদা রক্ষার জন্য যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তাদের কথা ভিন্ন। যেমন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৫০টি দলের মধ্যে ২৮টি দল নির্বাচনি অভিযানে কোনো অর্থ ব্যয় করেনি বলে হলফনামার অধীনে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে। কয়েকটি দল নির্বাচনে মাত্র ৩ হাজার টাকা করে ব্যয় করেছে।

দল বা একক প্রার্থীর পক্ষ থেকে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দাখিল করা আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষার নিয়ম ছাড়া যেন কিছু নয়। হলফের অধীনে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করে মিথ্যা না বলার কসম কাটে। কিন্তু উভয় পক্ষই আইনজীবীর শিখিয়ে দেওয়া কথার বাইরে কিছু বলে না। নির্বাচন কমিশনও এক ধরনের আদালত, যেখানে হলফের অধীনে হিসাবকিতাবের প্রমাণ দেখাতে পারলে মাঠপর্যায়ে গিয়ে যাচাই করার প্রয়োজন পড়ে না।

বাংলাদেশে বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থা রয়েছে, যারা রাজনীতি, গণতন্ত্র, নির্বাচন, মানবাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করে। গত নির্বাচনের পরও তারা তা করেছে। কিন্তু তাদের গবেষণা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের হিসাবের ওপর সীমাবদ্ধ, যা তারা নির্বাচন কমিশনে পেশ করে থাকে। নির্বাচনের পর তারা নির্বাচিতদের আয় ও ব্যয়ের ওপর নজর রাখে। জটিলকখনো কখনো তারা প্রার্থীদের আয়সংক্রান্ত তথ্য অসম্পূর্ণ ও আয় গোপন করা বা তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তাদের মতে, প্রার্থীদের সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের হিসাবের বেশির ভাগই ত্রুটিপূর্ণ এবং নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের হলফনামা দাখিলের প্রক্রিয়া কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা। এসব গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে আজ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থীরা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করার জন্য কী পরিমাণ অর্থ ঢালছেন, তার ওপর সংশ্লিষ্ট প্রার্থী, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রাজনৈতিক নেতা এবং ভোটারদের সাক্ষাৎকারভিত্তিক জরিপ পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। এটি হলে নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের দাখিল করা ব্যয়ের হিসাব ও প্রকৃত ব্যয়ের মধ্যে যে বিরাট পার্থক্য,  জাতির সামনে সেই শুভংকরের ফাঁকি তুলে ধরা সম্ভব হতো। নির্বাচনের সময় কোনো কোনো এলাকায় কোনো জাঁদরেল প্রার্থী সম্পর্কে শোনা যায়, ‘তিনি কোমর বেঁধে নেমেছেন’ এবং ‘পানির মতো টাকা ঢালছেন’। স্বচ্ছতার নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রার্থীদের সাংবাৎসরিক ব্যয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণার স্বচ্ছতার স্বার্থেই তাদের গবেষণা কাগুজে গবেষণার পরিবর্তে মাঠপর্যায়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়সংক্রান্ত বিধির সঙ্গে ভারতীয় লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়ের ওপর ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়ার নির্বাচনি ব্যয়বিধি প্রায় অভিন্ন। ২০২৪ সালের নির্বাচনি তথ্য অনুযায়ী প্রতিটি লোকসভা আসনে ভোটারের গড় সংখ্যা ছিল ২০ লাখ এবং প্রার্থীর নির্ধারিত ব্যয়সীমা ছিল ৯৫ লাখ রুপির মধ্যে। রাজ্য বিধানসভাগুলোর সর্বশেষ নির্বাচনে প্রতিটি আসনে গড় ভোটারসংখ্যা ছিল ১ লাখ এবং প্রার্থীর ব্যয়সীমা নির্ধারিত ছিল ৪০ লাখ রুপি। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনি অভিযানে কত ব্যয় করবে, তার কোনো সীমারেখা টেনে দেয়নি দেশটির নির্বাচন কমিশন। ভারতের দিল্লিকেন্দ্রিক রাজনীতিসংশ্লিষ্টবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন’ ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত ১৯তম লোকসভা নির্বাচনে ‘কস্ট অফ পলিটিকস’ বা ‘রাজনীতির ব্যয়’ শীর্ষক সাক্ষাৎকারভিত্তিক গবেষণা ফলাফলে দেখিয়েছে যে ‘একটি লোকসভা আসনে নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ৫ থেকে ১০ কোটি রুপি ব্যয় করা একটি আদর্শ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ এতে আরও বলা হয়েছে যে ‘কোনো কোনো আসনে প্রার্থীদের ব্যয় কখনো কখনো ১০০ কোটি রুপিতে পৌঁছতে পারে, এমনকি তা ছাড়িয়েও যেতে পারে। তা ছাড়া একটি নির্বাচনি এলাকার প্রায় সব ভোটারকে ২ থেকে ৩ হাজার রুপি দিয়ে ভোট কেনার কাজটি মূলত ভোটের দিন পর্যন্ত হয়।’

ভারতের রাজ্য বিধানসভাগুলোর নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়ের ওপর ভারতের অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘নিউজলন্ড্রিডটকম’ গত মার্চের এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ‘ভারতের প্রতিটি নির্বাচনে আসনসংখ্যা, ভোটারসংখ্যা, প্রদত্ত ভোটসংখ্যা ইত্যাদি পাওয়া গেলেও নির্বাচনি লড়াইয়ে ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব পাওয়া যায় না। যদিও প্রতিটি প্রার্থীর ব্যয়সীমা ৪০ লাখ রুপি, কিন্তু মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীরা প্রায়ই প্রতি নির্বাচনি এলাকায় ২০ থেকে ৩০ কোটি রুপি পর্যন্ত ব্যয় করেন।’

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হওয়ার সংগত কোনো কারণ নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব কতটা সঠিক বা বাস্তবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এটা অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ যে জাতীয় নির্বাচনের সময় বড় দল এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের ব্যবসায়ীরা কী পরিমাণ চাঁদা প্রদান করেন। নির্বাচন কমিশনও কখনো প্রার্থী ও দলের ব্যয়ের হিসাব সঠিক কি না, তা খতিয়ে দেখে না। ফলে প্রার্থীরা ও দল যে ব্যয়ের হিসাব দেয়, প্রকৃত ব্যয় যে এর চেয়ে বহুগুণ বেশি তা বোঝার জন্য কোনো গবেষণার প্রয়োজন পড়ে না। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। এতে বলা হয়েছিল, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা প্রচারের জন্য নির্ধারিত সময়ে গড়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা করে ব্যয় করেছিলেন, যা নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ব্যয়সীমার ৬ গুণ বেশি ছিল।

♦ লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us