ঢাকা
১১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক স্ট্যান্টবাজির রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না: ফরহাদ হোসেন আজাদ টাঙ্গাইল মেডিকেলে জনবল সংকট দূর হবে দ্রুত: প্রতিমন্ত্রী টুকু বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম, মাছের দামও চড়া বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি : জামায়াত আমির তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দৃশ্যমান করতে হবে: জামায়াত আমির বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর হাসপাতালে ভর্তি এফবিআইর নজরে আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, আসলে কি ঘটছে? যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও থমথমে হরমুজ প্রণালি ২৪ ঘণ্টা অতি ভারি বৃষ্টির সতর্কতা, ১৪ জেলায় ঝড়ের আভাস
Advertise with us

বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম, মাছের দামও চড়া

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬   ২৪ বার পঠিত
বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম, মাছের দামও চড়া

ছবি: সংগৃহীত

বাজারে মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ডিমের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ মাছের দামও বেশি দামে থাকায় স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৩০ টাকা ডজন।

শুক্রবার  বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ডজন ছিল। প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

কয়েকটি মাছের দাম বেশ চড়া দেখা গেছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৬০০ থেকে ৮০০, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কৈ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের গায়ে যেন হাত দেওয়া যায় না। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে চাষের কৈ, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বোয়াল মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মাছের ব্যবসায়ী মনতাজ উদ্দিন বলেন, মাছের বাজার কয়েক মাস ধরে প্রায় একই রয়েছে। তার দাবি, চিংড়ি, রূপচাঁদা, শোল, বড় আকারের রুই– এসব মাছের দাম সব সময়ই কিছুটা বেশি থাকে। কারণ, মোটামুটি সামর্থ্যবান মানুষ এসব মাছ কেনেন। তবে ইলিশের দাম এত বেশি হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

এই মাছ বিক্রেতা বলেন, গত তিন-চার বছরে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে ইলিশের। কারণ, বাজারে মাছের চেয়ে ক্রেতা বেশি।

বাজারে মাছ কিনতে আসা ধানমন্ডির বাসিন্দা আনিসুর রহমান বলেন, ‘শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি কিনেছি। ভেটকি ৪০০ টাকায় নিয়েছে। সব মাছের দাম বেশি। বৃষ্টি কারণে দাম বেশি কিনা জানি না।

ডিম ব্যবসায়ী মাসুম বলেন, ডিমের দাম আগের তুলনা ১০–১৫ টাকা ডজনে বেড়েছে। এক ডজন সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম ১২০ টাকা আর ব্রাউন কালারের ১৩০টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ডজন ছিল।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031