ঢাকা
২৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে বৈশ্বিক পারমাণবিক জ্বালানি ক্লাবে বাংলাদেশ : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক নবীজির আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণেই গড়ে উঠবে আদর্শ নেতৃত্ব: ছাত্র জমিয়ত সভাপতি বাংলাদেশ একদিন জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: হামিদুর রহমান সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের দেশে ফেরা বাদ দিন, শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না: সারজিস অসহায় পরিবারের হাতে আগে ফ্যামিলি কার্ড দিতে হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর
Advertise with us

মানুষের মতোই আলাদা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে তিমি!

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬   ৫৭ বার পঠিত
মানুষের মতোই আলাদা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে তিমি!

ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের ভাষা ভিন্ন ভিন্ন। এমনকি একটি নির্দিষ্ট দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষও ভিন্ন ভিন্ন উপভাষায় কথা বলে। মানুষের মতোই অবিকল এমন আচরণ করে স্পার্ম তিমি। সম্প্রতি এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমনই অবাক করা তথ্য পেয়েছেন। তাদের এই গবেষণার ফলটি ‘প্রসিডিংস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি বি’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব ও পশ্চিম অংশে থাকা স্পার্ম তিমিদের যোগাযোগের ধরন বা আঞ্চলিক ভাষা আলাদা। প্রায় ২০ বছর ধরে সাগরের তিমিদের ডাক রেকর্ড করে বিজ্ঞানীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তারা তিমিদের যোগাযোগের ৫,২৯১টি শব্দের ছন্দ বা ‘কোডা’ বিশ্লেষণ করেন। আগে ধারণা ছিল, এখানকার সব তিমি একই সুরে ডাকে। এদের ডাকের ধরন ছিল ‘৩+১’ (তিনটি শব্দ, একটু বিরতি, তারপর আরেকটি শব্দ)। কিন্তু নতুন বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্পেনের দিকের তিমিদের চেয়ে গ্রিসের দিকের তিমিরা অনেক দ্রুত এই শব্দগুলো করে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, পূর্ব দিকের তিমিরা নিজেদের নতুন ভাষায় ডাকলেও, মাঝে মাঝে তারা পশ্চিম দিকের পুরনো ভাষাও ব্যবহার করে। অর্থাৎ, নিজেদের মতো নতুন উপভাষা তৈরি করলেও তারা তাদের পুরনো ডাক ভুলে যায়নি।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় ২০ হাজার বছর আগে স্পার্ম তিমিরা জিব্রাল্টার প্রণালি দিয়ে এই সাগরে প্রবেশ করেছিল। দীর্ঘকাল একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারণেই সম্ভবত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাদের ডাকের এই পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে সাগরে এই বিপন্ন প্রাণীগুলোর সংখ্যা খুবই কম। প্রাণীদের ভাষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা কীভাবে বদলায়, তা বুঝতে এই গবেষণা দারুণ সাহায্য করবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us