ঢাকা
১০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
যুক্তরাজ্যে তীব্র তাপপ্রবাহে পথচারীদের মাঝে ঠান্ডা পানি বিতরণ করলেন সাবেক কাউন্সিলর প্রার্থী ওবায়দুল কবীর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন বিএনপির সারোয়ার আলমগীর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পলাতক ৫৭ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত হচ্ছেন এনসিপির সমাবেশ চলাকালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল ডেকোরেটাররা জুলাই আকাঙ্ক্ষার ধারে কাছেও যেতে পারিনি আমরা: মান্না নিত্যপণ্য মধ্যবিত্তদেরও ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে: চরমোনাই পীর সায়েদাবাদ হবে শুধু সিটি টার্মিনাল, আন্তঃজেলা বাস যাবে কাঁচপুরে: দক্ষিণ সিটি প্রশাসক জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে আলজেরিয়ার সঙ্গে নতুন উদ্যোগ, স্বাগত জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, আর্জেন্টিনার সাপোর্টাররা বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
Advertise with us

এনসিপির সমাবেশ চলাকালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল ডেকোরেটাররা

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬   ১৮ বার পঠিত
এনসিপির সমাবেশ চলাকালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল ডেকোরেটাররা

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শুরুর পর সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া কাকতালীয় ব্যাপার ছিল বলে জানিয়েছেন সাভার পল্লীবিদ্যুৎ-৩ এর জিএম মামুনুর রশীদ। এছাড়াও মঞ্চের পাশের ফিডার থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল ডেকোরেটাররা।

জিএম মামুনুর রশীদ আজ (বৃহস্পতিবার) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত সোমবার সন্ধ্যায় পল্লী বিদ্যুতের সদর দপ্তরের গেণ্ডা উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। ওই দিন কোনো লোডশেডিং না থাকায় গেণ্ডা উপকেন্দ্রের সব ফিডার চালু ছিল।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর মহাব্যবস্থাপক মো. মামুন অর রশীদ বলেন, এনসিপির সমাবেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য মৌখিক কিংবা লিখিত কোনো আবেদন আমাদের কাছে করেনি । তাদের সমাবেশ স্থানের বিদ্যুৎ চলে যাওয়া কাকতালীয় ব্যাপার ছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ বিদ্যুৎ বন্ধ করেনি; যারা মঞ্চ তৈরি করেছে সেই ডেকোরেটরের লোকদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, মঞ্চের পাশের ৪নং ফিডার থেকে হুক বাজিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল।

তিনি বলেন, রাত ৯টা ২০ মিনিটে ৪নং ফিডার হঠাৎ ট্রিপ করে। ট্রিপিংয়ের সময় ফিডারের এসিআরে ৩৩৯৭ অ্যাম্পিয়ার ফেজ টু গ্রাউন্ড ফল্ট কারেন্ট প্রদর্শন করে। তাৎক্ষণিকভাবে ফিডার ফল্টের কারণ অনুসন্ধান করতে থাকা হয়। এমতাবস্থায় ভাগলপুর মহল্লা থেকে মো. শরিফুজ্জামান অভিযোগ কেন্দ্রের মোবাইলে ফোন করে জানান যে, তার নিকটবর্তী স্থাপনায় স্থাপিত ট্রান্সফরমারের কাছে শব্দ ও ফায়ারিং হয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেছে। পরে ডিউটিরত লাইনম্যান গ্রেড-১ মো. কামরুজ্জামান ফিডারটি ট্রায়াল দিলে রাত ৯টা ৪৪ মিনিটে ফিডারটি অস্থায়ী ফল্ট রিমুভ হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ চালু হয়ে যায় এবং গ্রাহক বিদ্যুৎ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন।

পরবর্তীতে জানা যায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকাকালীন সময়ে ওই ফিডারের আওতায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে অবস্থিত একটি খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত এনসিপির প্রোগ্রামে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে।

মহাব্যবস্থাপক আরও বলেন, বিদ্যুৎ বন্ধের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য ট্যানারি জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. হেমায়েত হোসেন বিশ্বাসকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী প্রকৌশলী (এসওডি) ঢাকা (উত্তর) মজিবুর রহমান ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক (আইটি-১) সদর দপ্তরের মুহাম্মদ সাদ আল মুনির। আজ বৃহস্পতিবার একটি রিপোর্ট দাখিল করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে অবৈধ বিদুৎ সংযোগ নেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

মহাব্যবস্থাপক মামুন বলেন, এনসিপির নেতারা মঞ্চে উঠার আগে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া ও বোমা বিস্ফোরণের পরপরই বিদ্যুৎ ফিরে আসা একটা কাকতালীয় বিষয় ছিল। এ কারণেই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে এবং ঘটনার পর তিনি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটা প্রাথমিক প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন।

​এনসিপির ঢাকা জেলার সদস্য সচিব ও মামলার বাদী মো. সালামত উল্লাহ রনি বলেন, আমাদের এই প্রোগ্রামের বিষয়ে আমরা প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করেছি। এখন বাকি বিষয় তো প্রশাসন দেখবে। তবে বিদ্যুৎ যখন চলে যায় সঙ্গে সঙ্গে আমরা পল্লী বিদ্যুতের অফিসের অভিযোগ নাম্বারে একাধিকবার কল করেছি কিন্তু কেউ ধরেননি।

এর আগে গত সোমবার রাতে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিকট শব্দে হাতবোমা বা ককটেল বিস্ফোরণ হয়। তখন মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঈদগাহ মাঠ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেঁপে উঠে স্টেজ। মানুষ দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে শুরু করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031