ঢাকা
০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বঙ্গভবন দেখতে পারবে এবার শিক্ষার্থীরা, থাকছে দেড় ঘণ্টার ভ্রমণের সুযোগ বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করবে জামায়াত ৭ নভেম্বর বিএনপির র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান চীনা দূতাবাসের অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রতিনিধি দল খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস ‘ওয়ান ইয়ার, ওয়ান বিসিএস’ নীতিসহ ১৩ দফা দাবি ঘোষণা করল শিবির শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হলে ক্ষতি বাড়বে: জামায়াত আমির ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো: মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচন কিংবা গণঅভ্যুত্থান-কোনোটিই এককভাবে রাষ্ট্রীয় সংকটের পূর্ণাঙ্গ সমাধান দিতে পারেনি : মঞ্জু
Advertise with us

খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬   ১৫ বার পঠিত
খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস

ছবি: সংগৃহীত

অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

শৈশব, কৈশোর, মুক্তিযুদ্ধ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘খোকা ছিলেন রাজপথের একজন খাঁটি যোদ্ধা। তিনি কম হাসতেন, কিন্তু তার কথাবার্তা ও আন্তরিকতা মানুষকে সহজেই কাছে টেনে নিত। তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল ও বড় মনের মানুষ ছিলেন।’

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গোপীবাগে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

শৈশব ও রাজপথের দিনগুলোর কথা স্মরণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আমরা পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দা ছিলাম – আমি শাহজাহানপুরের, আর খোকা গোপীবাগের। কখন যে একে অপরের সঙ্গী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হয়ে গেলাম, বুঝতেই পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা – সবখানেই আমরা একসঙ্গে ছিলাম। হাতে হাত রেখে এতগুলো বছর কীভাবে পার হয়ে গেল, আর আমাদের বয়স কীভাবে বেড়ে গেলো, তা আজ ভাবতে কষ্ট হয়।

সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে তার গভীর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘খোকা এবং আমার জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে যদি লিখতে বসি, তবে আস্ত একটি বই হয়ে যাবে।’

‘রাজনীতিতে আমাদের মতপার্থক্য কিংবা ঝগড়াও হতো, কিন্তু দিনশেষে আমরা বিএনপির আদর্শ ও মানুষের জন্য একসঙ্গে কাজ করেছি। রাজনীতির নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা গিয়েছি। আজ সে আমাদের মাঝে নেই, সে থাকলে হয়তো বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আরও অনেক ভালো কিছু হতে পারত।’

প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, খোকাকে নিয়ে পরবর্তী সময়ে বড় পরিসরে একটি স্মরণসভার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে তার রাজনৈতিক অবদান ও জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে তিনি গোপীবাগসহ দেশবাসীকে সাদেক হোসেন খোকার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানানো এবং তার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন মানুষের ভূমিকা ও আচরণে যে পরিবর্তন দেখেছেন, তা ব্যাখ্যা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেন, আমরা কয়েক যুগ ধরে রাজনীতি করে যাচ্ছি। একেক সময়ে মানুষের রূপের যে পরিবর্তন হয়, তা আমরা দেখেছি। এখনো দেখছি। এবারের জাতীয় নির্বাচনেও যা দেখেছি, তা বলা বা ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন।

দোয়া মাহফিলে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও খোকার সন্তান ইশরাক হোসেন এমপি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us