ঢাকা
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সেই সিফাতের বাসার বিদ্যুৎ বিলে অনিয়ম পায়নি পল্লী বিদ্যুৎ রোহিঙ্গা সংকট এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিস্তল নিয়ে দুলাভাইকে হুমকি, শ্যালক আটক পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তিনতলা পর্যন্ত মাটির নিচে, কাদার স্তূপে ক্ষীণ কান্না; ১০ দিন কীভাবে বেঁচে ছিলেন বৃদ্ধা? রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে মেয়ের আবেগঘন পোস্ট প্রতারণার মামলায় হাইকোর্টে বিদিশার জামিন আজ টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় দীপিকার ‘না’ যেখানে, প্রীতির সেখানে ১৮ ঘণ্টা! হরমুজে উত্তাপ: মার্কিন জাহাজে হামলার পর অন্যদেরও সতর্ক করে দিল ইরান
Advertise with us

তিনতলা পর্যন্ত মাটির নিচে, কাদার স্তূপে ক্ষীণ কান্না; ১০ দিন কীভাবে বেঁচে ছিলেন বৃদ্ধা?

ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১১ বার পঠিত
তিনতলা পর্যন্ত মাটির নিচে, কাদার স্তূপে ক্ষীণ কান্না; ১০ দিন কীভাবে বেঁচে ছিলেন বৃদ্ধা?

ছবি: সংগৃহীত

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের ১০ দিন পর কাদামাটির স্তূপের নিচ থেকে ৬৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার নুয়াকোট জেলার বিদুর পৌরসভা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় তাঁর ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে জানালা ভেঙে তাঁকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনা হয়।

উদ্ধার হওয়া বৃদ্ধার নাম চণ্ডিকা শ্রেষ্ঠা। তিনি বেত্রাবতী নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা। গত ২৬ আগস্ট হড়পা বানের পানির স্রোত ও কাদামাটির নিচে তাঁদের চারতলা বাড়ির নিচের তিনটি তলা সম্পূর্ণ চাপা পড়ে যায়। বাড়িটির চতুর্থ তলারও একটি অংশ কাদায় ডুবে ছিল।

নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (এপিএফ) জানিয়েছে, ওই এলাকায় এর আগে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তখন কাউকে জীবিত থাকার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে এলাকাটি পরিষ্কার করে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন উদ্ধারকর্মীরা।

এপিএফের ইনস্পেক্টর সুমন বিকে জানান, শনিবার বাড়িটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ খুব ক্ষীণ একটি শব্দ শুনতে পান তাঁরা। এরপর দ্রুত কাদা সরানোর কাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়িটির চতুর্থ তলার একটি জানালা ভেঙে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢোকেন উদ্ধারকারীরা। তখন চণ্ডিকার কণ্ঠস্বর আরও স্পষ্টভাবে শোনা যায়।

উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, প্রায় ১০ দিন কীভাবে ওই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেঁচে ছিলেন চণ্ডিকা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শারীরিকভাবে দুর্বল থাকায় তিনি তেমন কিছু বলতে পারেননি। পরে নেপালি সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে তাঁকে চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেয়া হয়।

চণ্ডিকার পরিবারের চার সদস্যও ওই দুর্যোগের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। এমনকি তাঁকে মৃত ধরে নিয়ে পরিবারের জীবিত সদস্যরা তাঁর শেষকৃত্যের প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।

চণ্ডিকার আত্মীয় রমেশ মান শ্রেষ্ঠা বলেন, উদ্ধারের খবর শুনে তাঁরা হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে চণ্ডিকাকে জীবিত দেখে তাঁরা বিস্মিত হয়ে পড়েন।

উদ্ধারকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হড়পা বানের স্রোতে ওই এলাকার ভূমি প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে গেছে। অনেক তিনতলা বাড়ি পুরোপুরি কাদামাটির নিচে চাপা পড়েছে। কিছু বাড়ি আবার স্রোতের সঙ্গে ভেসে গেছে।

নেপালে ভয়াবহ এই দুর্যোগে এখন শনিবার পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us