ঢাকা
২৬ জুন ২০২৬
শিরোনাম
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রফতানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন ইসলামে বিভেদ-হানাহানির কোনো স্থান নেই: প্রধানমন্ত্রী আশুরার শিক্ষা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়: রাষ্ট্রপতি ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেব, সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্ন ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই? শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে : রিজভী বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী
Advertise with us

সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্ন ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই?

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬   ২৪ বার পঠিত
সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্ন ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই?

সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্ন ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই?  ছবি: সংগৃহীত

প্রস্তাবিত বাজেটের সাফল্য কেবল সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়ানোর ওপর নির্ভর করে না, বরং সাধারণ মানুষের মুখের হাসিতেই বাজেটের প্রকৃত সফলতা নির্ধারিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, সংসদে বাজেট নিয়ে আলোচনা শুনলে মনে হয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে বাজারে গিয়ে মানুষ এর কোনো সুফল পায় না।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমি এলাকায় বাজেটের আগে নাগরিক ভাবনা নামে মতবিনিময় করেছি। সেখানকার মানুষ ও সাংবাদিকরা বলেছেন, সংসদে আপনাদের আলোচনা শুনলে মনে হয় সব সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে বাজারে গেলে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সমস্যাগুলো আপনাদের বক্তৃতায় নেই। বাজেটের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষ এমনকি সংসদ সদস্যদেরও তেমন কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ দেওয়া হয় না।

বাজেট উপস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বে বাজেট উপস্থাপনে ইনফোগ্রাফিক, ভিজ্যুয়াল ড্যাশবোর্ড ও সহজ টেবিল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থাপনা নেই।

স্বাস্থ্য খাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি মানবিক হাসপাতাল যেখানে ৭০০ বেডের মধ্যে ১৮০টি ফ্রি, প্রতিদিন ২৩টি নরমাল ডেলিভারি হয় এবং রোগী-স্বজনদের বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হয়—সেখানে শুধুমাত্র ৬টি শিশু মারা যাওয়ার অজুহাতে লাইসেন্স বাতিল করা হলো। অথচ দেশে যখন হামে ৩০০ শিশু মারা গেল, তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন? ওই হাসপাতালে ২৪৭ জন বিদেশি শিক্ষার্থী এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা সচিবের দেখা পাচ্ছেন না। এতে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

মেগা প্রজেক্টের দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাই। ১৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু ৪৫ হাজার কোটি টাকায় শেষ হয়। এই মেগা প্রজেক্ট মানেই মেগা দুর্নীতি। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলা হলেও ভাঙ্গা পর্যন্ত রাস্তা সিঙ্গাপুরের মতো মনে হয়, কিন্তু এরপর পটুয়াখালী-কুয়াকাটা পর্যন্ত রাস্তা একেবারে অজপাড়াগাঁয়ের মতো।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সংসদ সদস্যদের কুয়াকাটা ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, সেখানে গিয়ে রাস্তার অবস্থা দেখে আসুন। মেগা প্রজেক্টের অর্থ তখনই সার্থক হবে যখন তৃণমূলের মানুষ এর সুফল পাবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930