ছবি: সংগৃহীত
সদরঘাট এলাকায় ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে মিতুল ইসলাম নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির সূত্রাপুর থানা।
শনিবার (১৬ আগস্ট) ঘটনার দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের প্রথমে সন্দেহজনক হিসেবে আটক করা হয়। এসময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো কাপড় কাটার কাঁচি ও কাটারস উদ্ধার করে পুলিশ।
পরবর্তীতে নিহত মিতুলের বাবার দায়ের করা মামলায় ১০ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তারা হলেন- মো. রাহিম আহম্মেদ রাফি, সাগর আহাম্মেদ, রাসেল মিয়া, আরিফ, মো. আশরাফুল, ফারদিন, মো. জুনায়িদ মিয়া, মো. মোস্তাকিম, মো. রোকন মিয়া ও মো. নাজমুল।
সোমবার ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, শনিবার রাত ৮টায় সূত্রাপুর থানাধীন ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ভেতর মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মিতুল ইসলামকে ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৪ তলা ডিএম গার্মেন্টসের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ধারালো কাপড় কাটার কাঁচি ও কাটার দিয়ে তার বুকে, পিঠে, বাম পায়ের উরু, ডান পায়ের রানসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে আসামিরা।
পরবর্তীতে মার্কেটে উপস্থিত লোকজন গুরুতর আহত মিতুলকে উদ্ধার করে রিকশায় করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, ঘটনার পরপরই সূত্রাপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে ১০ জনকে আটক করে। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো কাপড় কাটার কাঁচি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘এ ঘটনায় নিহত মিতুলের বাবা সূত্রাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।