ঢাকা
০৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
আ.লীগ বিদ্যুতে অলিগার্ক বানিয়েছে, বিএনপি জ্বালানিতে পাঁয়তারা করছে : ফুয়াদ হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর, পেশ হবে লিখিত দাবিদাওয়া জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জুলাই শেষ হবে না: জামায়াত আমির দেশ ওপরে উঠতে থাকলেই পেছনে ঠেলে দেওয়ার চক্রান্ত হয়: ফখরুল গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন ডা. শফিকুর রহমান: রাশেদ খাঁন কাঁধখোলা গাউনে নজর কাড়লেন নুসরাত ফারিয়া ভারতকে ভয় পেয়েই কি ফেলানী ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের ছবি সরানো হয়েছে-প্রশ্ন নাহিদের একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী নানা অপ্রচারের মাধ্যমে অনেকেই সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে: রিজভী অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে স্বস্তি, সেরে উঠছেন তাইজুল
Advertise with us

জেআইসিতে আটকে তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬   ১২ বার পঠিত
জেআইসিতে আটকে তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি: সংগৃহীত

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) আটকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও নির্যাতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে জেআইসির একটি কক্ষে নেওয়া হয়েছিল। এরপর নির্যাতন করা হয়েছিল তার ওপর। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া সাক্ষীদের বর্ণনা ও আমাদের তদন্তে এ সংক্রান্ত তথ্য মিলেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে থাকা জেআইসি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে এদিন এ পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারক, প্রসিকিউশনসহ একটি প্রতিনিধিদল।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের একটি অংশ হিসেবে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিত জেআইসিতে আমাদের এই পরিদর্শন। এখানে মানুষকে ধরে এনে বন্দি রেখে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হতো। সেই নির্মম চিত্র আজ এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, গোপন এই বন্দিশালায় অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীসহ বহু মানুষকে বন্দি রাখা হয়েছিল বছরের পর বছর। এমনকি ১/১১-এর সময় এখানকারই একটি কামরায় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এনে নির্যাতন করা হয়েছিল। তবে দেশে যেন ভবিষ্যতে এমন কোনো টিএফআই বা জেআইসি তথা আয়নাঘর প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেজন্য আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক অপরাধ করলে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। কিন্তু বিচারবহির্ভূত কোনো কিলিংয়ের শিকার যেন কেউ না হন, এভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সেটিই আমরা চাইবো।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে অসদুদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর নামীয় টর্চার সেল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন অতিউৎসাহী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্য। তারা বিরোধী ঘরানার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা বা ভিন্ন মতপথের মানুষকে গুম করে এসব বন্দিশালায় রাখতেন। গুমের এমন অনেক ভুক্তভোগীর আমরা এখন পর্যন্ত কোনো হদিস পাইনি। তবে টিএফআই ও জেআইসিতে সংঘটিত গুম-নির্যাতনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারকাজ চলছে। জড়িত অনেক কর্মকর্তাকে আমরা বিচারের আওতায় এনেছি। ভবিষ্যতেও যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া, তাদেরও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us