ঢাকা
০৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
জুলাই হারিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দিয়েছে: আবদুল হাই শিকদার স্বৈরাচার কোনো দিনও ফিরে আসেনি, হাসিনাও আসবে না: আমির হামজা পলাতক ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে জাতীয় ঐক্য দৃঢ় করতে হবে: মাহদী আমিন বিরোধীদল জুলাই সনদ মাইকে বাস্তবায়ন চায়, বাস্তবে নয়: মীর হেলাল ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগানের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বললেন, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন ডকুমেন্টারিটা দেখলে মনে হতে পারে জুলাইয়ে বিএনপির দলীয় অভ্যুত্থান হয়েছে: সারজিস আলম জুলাই কারও একার নয়, বাংলাদেশের সব মানুষের: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারবিরোধী ক্ষোভের বিস্ফোরণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সংস্কৃতিচর্চার ভূমিকা অপরিসীম: আইনমন্ত্রী জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
Advertise with us

গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সংস্কৃতিচর্চার ভূমিকা অপরিসীম: আইনমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬   ১১ বার পঠিত
গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সংস্কৃতিচর্চার ভূমিকা অপরিসীম: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আবৃত্তি ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষকে গণতন্ত্র, মানবিক মূল্যবোধ, মুক্তচিন্তা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে। একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও রক্তপাতহীন সমাজ গঠনে আবৃত্তি ও সংস্কৃতিচর্চার ভূমিকা অপরিসীম।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে  ‘উৎসব ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে ‘স্মৃতির দর্পণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে।

আইনমন্ত্রী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আহত জুলাই যোদ্ধা এবং গত ১৬ বছরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিহত, গুম ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁদের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও ত্যাগের যৌক্তিক এবং সফল পরিণতি ছিল ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জুলাইয়ের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এবং বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার মাধ্যমে সেই চেতনাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন আবৃত্তিচর্চা দেশের শিল্প-সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হওয়া সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত ছিল। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদে আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম একটি শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা কবিতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে গণতান্ত্রিক চেতনা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এ ধরনের উদ্যোগ একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হবে।

তিনি বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করে বলেন, সংগঠনটির যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে তিনি ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, আইনমন্ত্রীর সহধর্মিণী শিরিন সুলতানা, বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা শেষে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সংস্কৃতিকর্মী, আবৃত্তিশিল্পী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us