ঢাকা
১৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
মাদকের চাহিদা ও যোগান উভয়ই নির্মূল করতে হবে: চরমোনাই পীর আমেরিকাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ! ২৯ দেশ নিয়ে চীনের নতুন ‘এআই জোট’ জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি: মন্ত্রী টুকু বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার : অর্থমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলায় নিহত ৮, মোট প্রাণহানি ৩৮ আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই, কখনও সংস্কারের কথা বলিনি : মির্জা ফখরুল এই গরমে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক যত্নে থাকুক ডায়াবেটিক ফুট ইরানের বিমানবন্দর-রেলস্টেশন-সেতুতে মার্কিন আঘাত, পাল্টা হামলা চালাল তেহরানও
Advertise with us

হামলা, মূল্যস্ফীতি, চাকরি সংকট, চরম দুশ্চিন্তায় ইরানের মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬   ১৯ বার পঠিত
হামলা, মূল্যস্ফীতি, চাকরি সংকট, চরম দুশ্চিন্তায় ইরানের মানুষ

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার হামলার পর যুদ্ধবিরতির সময় তৈরি হওয়া সাময়িক স্বস্তি ভেঙে আবারও গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সাধারণ ইরানিরা। যুদ্ধের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থানের সংকট এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

রয়টার্সের সঙ্গে এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে কথা বলা কয়েকজন ইরানি জানান, সবচেয়ে বড় সংকট এখন অর্থনীতি। রাজধানী তেহরানের ৪০ বছর বয়সী আলোকচিত্রী সোমাইয়েহ বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখন সাপ্তাহিক বাজারের খরচ প্রায় দ্বিগুণ। প্রতিদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এক দিন যুদ্ধ, পরদিন শান্তি, কী হবে তা কেউ জানে না। দুই দিনের পরিকল্পনাও করা যাচ্ছে না।

পশ্চিমাঞ্চলের কুর্দিস্তান প্রদেশের সানানদাজের সফটওয়্যার প্রকৌশলী আমির বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন। জানুয়ারিতে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ শুরু করলেও যুদ্ধের কারণে আবারও দূরবর্তীভাবে কাজের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে তিনি ঋণের বোঝায় পড়েন। সম্প্রতি নতুন চাকরি পেলেও আবার হামলা শুরু হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

একই শহরের মনোচিকিৎসক নাজানিন জানান, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও রিয়ালের দরপতন এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

সোমাইয়েহ বলেন, আগে দেশ ছাড়ার ইচ্ছা থাকলেও এখন আর তা নেই। তার ভাষায়, জীবন, পরিবার ও বাড়ি সবই এখানে। শেষ পর্যন্ত ফিরতেই হবে।

মাহাবাদের বাসিন্দা হিওয়া মনে করেন, যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক সংকট ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতি ভবিষ্যতে সামাজিক অস্থিরতা ও বিক্ষোভের কারণ হতে পারে।

এদিকে জানুয়ারির সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর থেকে গ্রেপ্তার, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং কড়া নিরাপত্তা নজরদারির মাধ্যমে নতুন করে অস্থিরতা ঠেকানোর চেষ্টা করছে ইরান সরকার।

তবে যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও অনেক ইরানি দেশ ছাড়তে চান না। আমির বলেন, নিজেদের ঘর ছেড়ে অন্য দেশে শরণার্থী হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে নিজের দেশেই থাকতে চান তারা। সূত্র: রয়টার্স

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031