ঢাকা
১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেশব্যাপী বিএনপির একদিনের শোক ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’- এটার মধ্যে একটা স্বৈরাচারী মনোভাব আছে : প্রতিমন্ত্রী নুর আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন জমির উদ্দিন: জামায়াত আমির এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্পে হাঁটুপানি, যাতায়াত পরিহারের আহ্বান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ওমান-কাতারসহ ৫ দেশে ভয়াবহ হামলা ইরানের কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন আল থানি মারা গেছেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদেরই উদ্ভাবনে অবদান রেখে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
Advertise with us

এবার ১৮ দিনেই শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬   ১৮ বার পঠিত
এবার ১৮ দিনেই শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

১৮ দিন পর হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স খুলে পাওয়া গেছে প্রায় পাঁচ বস্তা টাকা। খাদেম ও মোতাওয়াল্লিদের কাছ থেকে দানের অর্থের হিসাব-নিকাশ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নেয়ার পর শনিবার (১১ জুলাই) দ্বিতীয়বারের মতো খোলা হয় মাজারের দানবাক্স। গণনা শেষে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা এবং কিছু বিদেশি মুদ্রা।

তবে এখনো নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় দানের অর্থ মাজারের ব্যবস্থাপনায় ব্যয় করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। আগামী বৃহস্পতিবার ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠকে নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর দানের অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জানা যায়, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে প্রতিদিন হাজারো ভক্ত-আশেকানের আগমন ঘটে। জিয়ারত ও ইবাদত-বন্দেগি শেষে তারা উদারভাবে দানবাক্সে অর্থ প্রদান করেন। তবে সাত শতাধিক বছর ধরে চলে আসা এই দানের অর্থের আয়-ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছ হিসাব ছিল না। অভিযোগ রয়েছে, মোতাওয়াল্লি ও খাদেম দাবিদাররা নিজেদের মধ্যে অর্থ ভাগাভাগি করলেও মাজারের উন্নয়নে তা উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যয় করা হয়নি।

গত মাসে দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে উদ্যোগ নেন তৎকালীন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তিনি মাজারের ডেগ ও দানবাক্সে তালা দিয়ে সিলগালা করেন। চার দিন পর, ২২ জুন তালা খুলে পাওয়া যায় ১৭ লাখ টাকার বেশি। পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজারের নামে একটি যৌথ ব্যাংক হিসাব খোলা হয় এবং সেই হিসাবে অর্থ জমা রাখা হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে সভাপতি করে ১৩ সদস্যের মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।

শনিবার সকালে ওই কমিটির তত্ত্বাবধানে মাজারের তিনটি ডেগ ও ছয়টি দানবাক্স খোলা হয়। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী অর্থ গণনার কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গণনার কাজ চলছিল।

মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানের অর্থ থেকে স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন এবং লঙ্গরখানার খাদ্য ব্যয় নির্বাহ করার কথা। তবে নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় আপাতত দানের অর্থের তহবিল থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে না। আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর উদ্বৃত্ত অর্থ কীভাবে মাজারের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, সেটিও নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031