ঢাকা
০৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে ভোট আজ, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে আন্দোলনকারীদের রাস্তায় না নামার আহ্বান জানিয়ে পুলিশের মাইকিং পল্লবীতে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, আটক ২ গাজীপুরে আরও ২৫ পোশাক কারখানা ছুটি মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৪৯ মিরপুরে রাস্তায় শ্রমিকরা, সতর্ক অবস্থানে পুলিশ এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতি ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে ইসি
Advertise with us

বঙ্গোপসাগরে নিশ্চিত জ্বালানি আছে, উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : নৌমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬   ৯৬ বার পঠিত
বঙ্গোপসাগরে নিশ্চিত জ্বালানি আছে, উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : নৌমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে নিশ্চিত জ্বালানি আছে, উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : নৌমন্ত্রী  ছবি: সংগৃহীত

নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় নিশ্চিতভাবে জ্বালানি সম্পদ রয়েছে। অফশোর এলাকায় কূপ খনন, খনিজ সম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং পরবর্তী সময়ে সেগুলো উত্তোলনের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সোমবার রাজধানীতে বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা নয়, বরং এর উপস্থিতি নিশ্চিত। তবে অতীতের নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়নি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চলের অধিকার লাভ করলেও সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার নিজ নিজ সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করেছে, কিন্তু বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। নেভিগেশন ও নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে। তবে সক্ষমতা অনুযায়ী এ খাতে উন্নয়নের কাজ চলছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব নৌপথ সচল, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে হাইড্রোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এর প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়বে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদ চিহ্নিতকরণ এবং সেগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us