ঢাকা
০৭ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সীরাতের বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রে শান্তি আসবে না: চরমোনাই পীর দায়িত্ব কোনো সামাজিক মর্যাদা নয়, গুরুত্বপূর্ণ আমানত : হামিদুর রহমান আযাদ পাকিস্তান কি শেষ পর্যন্ত চীন-আমেরিকার অস্ত্র-ফাঁদ থেকে বের হতে পারবে? ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ দেখতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ভিড় আজানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ছয় মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ২১ বছর পর আবারও রাজপথে তারেক রহমান প্রয়োজনে টিকিট পাঠিয়ে দেব, তবু আসুন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী সরকার গঠন নিয়ে কঠিন সমীকরণে ইসরায়েল, সিদ্ধান্তের মুখে প্রেসিডেন্ট হারজগ ডাবল সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন হৃদয় নারীদের বাদ দিয়ে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি সম্ভব নয় : শামা ওবায়েদ
Advertise with us

সীরাতের বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রে শান্তি আসবে না: চরমোনাই পীর

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬   ২০ বার পঠিত
সীরাতের বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রে শান্তি আসবে না: চরমোনাই পীর

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ বা সীরাতের বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রে শান্তি আসবে না, আসতে পারে না। রাসুলের আদর্শ থেকে মানবজাতি নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার কারণেই বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অশান্তি বিরাজ করছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত ‘জাতীয় সীরাত সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, আল্লাহ তায়ালা মানবতার মুক্তির দূত হিসেবে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন। তিনি যে আদর্শ নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন, সেই আদর্শ গ্রহণ করার কারণেই আইয়ামে জাহেলিয়াতের অভিশাপ থেকে সৃষ্টিকুল মুক্তি পেয়েছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে গুম, খুন, চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজত্ব চলছে। স্বাধীনতার পর থেকে যে আদর্শ বা নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে, তাতে জনগণ মুক্তি পায়নি, ভবিষ্যতেও পাবে না। এ জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার আদর্শ ও নীতির পরিবর্তন জরুরি। আর সেই আদর্শ হচ্ছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সীরাত।

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, দলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসলামী আইন তথা শরিয়াহ প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছে। তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, শরিয়াহ প্রতিষ্ঠাই মানবজাতিকে মুক্তি দিতে পারে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উজ্জ্বল উদাহরণ রয়েছে রাসুলের সীরাতে। যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনিই সৃষ্টি পরিচালনার আইন দিয়েছেন। সেই আইন নিহিত রয়েছে রাসুলের সীরাতে। মানবজাতির মুক্তির জন্য আমৃত্যু সীরাত বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম বলেন, ব্যক্তিজীবনে অনেকেই রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সীরাত মেনে চলেন। এর ফলে ব্যক্তিজীবনে শৃঙ্খলার প্রভাবও দেখা যায়। কিন্তু সমাজ, রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সীরাতের চর্চার ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের মধ্যে উদাসীনতা রয়েছে।

তিনি বলেন, সীরাত আমাদের শেখায়, শাসকরা শাসনের নামে জনগণকে শোষণ করবেন না; বরং তাঁরা হবেন জনগণের খাদেম। এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই প্রতিবছর সীরাত সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে সীরাত গবেষক ও লেখক এনামুল করীম ইমামকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া মাসব্যাপী সীরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

নগর সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমদ, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আ ইখ ম ইউনুস, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান, সীরাত গবেষক ও লেখক ডা. আবিদ হোসেন এবং নগর সহসভাপতি আলহাজ আবদুর রাজ্জাক, এম এইচ মোস্তফা ও ফজলুল হক মৃধা।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us