ঢাকা
০৭ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ দেখতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ভিড় আজানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ছয় মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ২১ বছর পর আবারও রাজপথে তারেক রহমান প্রয়োজনে টিকিট পাঠিয়ে দেব, তবু আসুন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী সরকার গঠন নিয়ে কঠিন সমীকরণে ইসরায়েল, সিদ্ধান্তের মুখে প্রেসিডেন্ট হারজগ ডাবল সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন হৃদয় নারীদের বাদ দিয়ে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি সম্ভব নয় : শামা ওবায়েদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা পাইপলাইন ছিদ্র করে চুরি, মাটির নিচে গোপন ট্যাংকে মিলল ৪২৯২ লিটার তেল অনেক কিছুই দেখলাম, একদিন সব প্রকাশ্যে আসবে: তানজিন তিশা
Advertise with us

সরকার গঠন নিয়ে কঠিন সমীকরণে ইসরায়েল, সিদ্ধান্তের মুখে প্রেসিডেন্ট হারজগ

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬   ৩০ বার পঠিত
সরকার গঠন নিয়ে কঠিন সমীকরণে ইসরায়েল, সিদ্ধান্তের মুখে প্রেসিডেন্ট হারজগ

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলে সরকার গঠন নিয়ে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোনও পক্ষই পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট- দু’জনই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনসংখ্যা থেকে পিছিয়ে রয়েছেন।

রবিবার সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা রয়েছে হারজগের। পার্লামেন্টের ১২০ সদস্যের মধ্যে ৬৭ জন আইজেনকটের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে রয়েছেন ৪৬ জন। তবে আইজেনকটের এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা এসেছে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর সমর্থনে। অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এসব দল রেকর্ড ১৯টি আসন পেলেও তাদের নিয়ে সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন আইজেনকট।

বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের পরামর্শ বৈঠক শেষ হয়। তবে হারজগ এখনও কাউকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানাননি। তার মতে, আসনসংখ্যার হিসাবে পরিস্থিতি স্পষ্ট মনে হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক জোটের অভ্যন্তরীণ ও পারস্পরিক বিরোধের কারণে সরকার গঠনের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েলের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ৬১টি আসন। নেতানিয়াহুর ডানপন্থী ও ধর্মীয় দলগুলোর জোটের আসন ৫৩টি। আইজেনকটকে সমর্থন দেওয়া চারটি ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলের আসন ৪৮টি। অন্যদিকে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর আসন ১৯টি।

আইজেনকট আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে সরকারে নিতে রাজি নন। তবে উগ্র অর্থোডক্স ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগের প্রশ্নে ছাড় দিলে ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ও শাস- এই দুই ধর্মীয় দলের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে তার আসনসংখ্যা ৬১-তে পৌঁছাবে। যদিও শাস ইতোমধ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছে।

অন্যদিকে নেতানিয়াহুকে সরকার গঠন করতে হলে বিরোধী শিবিরের কোনও দলকে নিজের পক্ষে টানতে হবে। দুই নেতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীত্ব ভাগাভাগি করে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে নেতানিয়াহুর অধীনে সরকারে যোগ দিতে অনিচ্ছুক তার বিরোধী অনেক নেতা।

আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর মধ্যে রা’আম আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী। তবে জয়েন্ট লিস্ট সরকারে যোগ না দিলেও বাইরে থেকে তাকে সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছে। এসব দলের সমর্থনের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও উসকানি বন্ধ, অপরাধ দমন এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে।

সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়া প্রার্থী প্রথমে ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে তা আরও ১৪ দিন বাড়ানো যাবে। তিনি ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় প্রার্থীকে একইভাবে ২৮ দিন দেওয়া হবে। এরপরও সমাধান না হলে পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তৃতীয় কাউকে মনোনীত করতে পারবেন। শেষ দফায় তিনি ১৪ দিন সময় পাবেন।

তাতেও সরকার গঠন সম্ভব না হলে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। সেক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলবিষয়ক বিশ্লেষক নেহরু জামহুরের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়াই সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি। তার দাবি, নতুন নির্বাচন হলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের দুর্বল করা এবং ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোটার উপস্থিতি কমিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাবেন নেতানিয়াহু। সূত্র: আল-জাজিরা

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us