বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তেলের মূল্যে এই নিম্নমুখী প্রবণতার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার সাম্প্রতিক ঘোষণা। সংস্থাটি বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ সংকট প্রশমিত করতে জরুরি রিজার্ভ থেকে আরও ২ কোটি ব্যারেলেরও বেশি ডিজেল এবং গত মার্চে প্রতিশ্রুত অবশিষ্ট অপরিশোধিত তেল খালাস করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়া, ইরান এবং ভেনেজুয়েলা থেকে তেল পরিবহনকারী নির্দিষ্ট কিছু জাহাজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো শিপিং খরচ বা নৌপরিবহন ব্যয় কমিয়ে আনতেই যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে।
তবে বাজারের এই কিছুটা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতির বিপরীতে মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগোলিক ও সামরিক অস্থিরতা অব্যাহত উদ্বেগ তৈরি করে চলেছে। বাব আল-মানদেব ও প্রণালি সংলগ্ন এলাকায় তেলবাহী জাহাজে পুনরায় হামলা এবং সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে বাড়তে থাকা সংঘর্ষের কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল মারাত্মক শঙ্কায় রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা