ঢাকা
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জনগণই বিএনপির শক্তির উৎস: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন শান্তি চাই, অশান্তি হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী খেলার মাঠে হঠাৎ অসুস্থ, হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি উপসচিবকে টিকাদানকেন্দ্র ভাঙচুরে ‘এমপি-পুলিশ’ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নিবে: ডিএমপি কমিশনার রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে জামায়াত অবস্থান নেবে: গোলাম পরওয়ার রাড্ডা ক্লিনিকে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বেশিরভাগ সিট ফাঁকা ছিল: শিশির মনির চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার লড়াই, অনেকটা পথ একাই হেঁটেছি: পাটওয়ারী
Advertise with us

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বেশিরভাগ সিট ফাঁকা ছিল: শিশির মনির

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ২৫ বার পঠিত
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বেশিরভাগ সিট ফাঁকা ছিল: শিশির মনির

ছবি: ফাইল ছবি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় মিলনায়তনে উপস্থিত প্রতিনিধি ও দর্শকের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম এবং অধিকাংশ আসনই ফাঁকা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

গতকাল শুক্রবার রাতে একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন অডিয়েন্সে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল না। পুরো ভাষণটির ভিডিও কয়েকবার পর্যালোচনা করে এমন চিত্র দেখা গেছে।

শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন অডিয়েন্সে বেশি মানুষ ছিল না। ভিডিওটা দুই-তিনবার রিওয়াইন্ড করে দেখেছি যে ম্যাক্সিমাম সিট ফাঁকা ছিল। কী কারণে এমনটি হয়েছে বা কেন আসনগুলো ফাঁকা ছিল, সেই কারণ আমার জানা নেই।’

তিনি ভাষণের উপস্থাপন শৈলী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘বক্তব্যটি পুরোটাই তিনি স্ক্রিপ্ট দেখে দেখে পড়ে শুনিয়েছেন। অন্যান্য আন্তর্জাতিক নেতাদের বক্তব্যে অনেক সময় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যায়, যা গভীর চিন্তা ও গভীর ভাবনা থেকে আসে। কিন্তু সবকিছু যদি শুধু লিখে নিয়ে পড়া হয়, তবে অনেক সময় বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে যায়।’

তবে এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয়তার প্রশংসাও করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে কিছু নতুনত্ব অবশ্যই ছিল। সেটি হলো তার সারল্য এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের নতুনত্ব। তিনি ঘণ্টায় ঘণ্টায় একের পর এক সাইডলাইন বৈঠক করেছেন।’

ভাষণ চলাকালে উপস্থিতির প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, পুরো ২১ মিনিট কয়েক সেকেন্ডের বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলার সময় উপস্থিত হাতে গোনা কিছু মানুষ সেখানে হাততালি দিয়েছিলেন, যা পুরো ভাষণে বড়জোর তিনবার হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us