ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. শফিকুর রহমান এমপি বললেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন গৌরবের মাইলফলক। স্বীকৃতি অর্জনের চেয়ে তা ধরে রাখা এবং এর মর্যাদা রক্ষা করা আরও কঠিন। অ্যাক্রেডিটেশন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার নগরীর আমান উল্লাহ কনভেনশন হলে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিছু মানুষের সাহসী উদ্যোগের ফলে সিলেটে শুধুমাত্র নারীদের জন্য এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সুযোগ হয়েছিল। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। নারীদের বিশ্বমানের চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি বৃহত্তর সিলেটের মানুষের চিকিৎসাসেবায়ও প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র আটটি প্রতিষ্ঠান অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করেছে। এর মধ্যে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত গৌরবের। এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।
তিনি বলেন, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টার ফল নয়। গভর্নিং বডি, অধ্যক্ষ, শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত পরিশ্রম এবং ত্যাগের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে যারা এর অগ্রযাত্রায় অবদান রেখেছেন, তাদের সবার অবদান এই অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতাদের হলেও এটি এখন সিলেটবাসীর গৌরবের প্রতিষ্ঠান।
তিনি আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের পর দায়িত্ব আরও বেড়েছে। চিকিৎসা শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি রোগীদের সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন চিকিৎসক তৈরি হবে এবং তারা মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবেন-এটাই প্রত্যাশা।