ঢাকা
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের প্রথম আবাসিক হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ রাজধানীর মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের সুযোগ থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী পল্লবী-রূপনগরে পানির সংকট দূর করতে নতুন পাম্প, হবে সরকারি হাসপাতাল : প্রতিমন্ত্রী বৈধ প্রার্থী হিসেবে যে কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে: প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচন আগামী ২৯ অক্টোবর : ইসি সচিব ক্যামেরা বন্ধ, পরিদর্শনে বাধা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে আইএইএর নালিশ কোনো আগ্রাসনে ‘ধ্বংস হবে না ইরানের পরমাণু সক্ষমতা’, বড় অগ্রগতির দাবি মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল
Advertise with us

কোনো আগ্রাসনে ‘ধ্বংস হবে না ইরানের পরমাণু সক্ষমতা’, বড় অগ্রগতির দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১২ বার পঠিত
কোনো আগ্রাসনে ‘ধ্বংস হবে না ইরানের পরমাণু সক্ষমতা’, বড় অগ্রগতির দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা শুধু স্থাপনা, ভবন বা যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভরশীল নয়। কোনো ধরনের আগ্রাসন চালিয়েও দেশটির বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি থামানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠকে অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদল।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ইরানি প্রতিনিধিদল এ অবস্থান তুলে ধরে। বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের কয়েকটি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ব্যবহারও ব্যাহত হয়েছে। তবে দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতার প্রধান ভিত্তি হলো মানুষের জ্ঞান, দৃঢ়তা ও দক্ষ মানবসম্পদ।

ইরানি প্রতিনিধিদল বলেছে, স্থাপনায় হামলা চালানো কিংবা বিজ্ঞানীদের হত্যা করা সম্ভব হলেও মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান ও জ্ঞানের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছে, তা ধ্বংস করা যায় না। একবার কোনো বৈজ্ঞানিক জ্ঞান মানুষের মধ্যে গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হলে তা টিকে থাকে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমনই বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিনিধিদলের ভাষ্য, পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ইরানের অর্জন একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, সঞ্চিত জ্ঞান এবং নিজস্ব অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশটি এই সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। বর্তমানে এই টেকসই বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার বড় অগ্রগতি হয়েছে, যা ইরানের অভ্যন্তরীণ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করছে।

প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি প্রতিনিধিদলের বিবৃতিতে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা, ফসলের উন্নয়ন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য সংরক্ষণ, রেডিওআইসোটোপ উৎপাদন এবং চিকিৎসা ও শিল্প খাতে বিকিরণ প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা সেখানে তুলে ধরা হয়।

সূত্র: মেহের নিউজ।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us