ঢাকা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে ইতিবাচক আলোচনা: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী মানচিত্র নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট ট্রাম্পের, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব আইসল্যান্ডের ‘চার কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আলোয় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা হবে আরও কার্যকর’ সন্ত্রাসীদের প্রতি নমনীয়তা দেখানোর ফলেই বাঁধনের ওপর হামলা: পাটওয়ারী হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই পরিচয় গোপন রেখে দেওয়া হবে পুরস্কার গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগকে ‘সাধারণ ক্ষমা’ করে জামায়াত: রাশেদ খাঁন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ তাজা ইলিশ চেনার উপায় শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর : বিমানমন্ত্রী রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০২, মামলা ৭১টি
Advertise with us

‘চার কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আলোয় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা হবে আরও কার্যকর’

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ১০ বার পঠিত
‘চার কোটি মানুষকে সাক্ষরতার আলোয় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা হবে আরও কার্যকর’

ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশে এখনো বিপুল জনগোষ্ঠী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতা ও কার্যকর শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ফলাফলভিত্তিক করতে হবে।

তিনি বলেন, সকল শিশু বিদ্যালয়ে থাকবে, প্রত্যেক শিশু নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা পাবে এবং এমন দক্ষতা অর্জন করবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে, যা সংখ্যার হিসাবে প্রায় চার কোটির কাছাকাছি একটি বিশাল জনগোষ্ঠী। এর একটি বড় অংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী। একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী অনেক শিশুও এখনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। তাই এই জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতার মূলধারায় ফিরিয়ে আনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। তাই সংখ্যার বিচারে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও ক্ষমতায়িত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। তিনি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর চলমান কার্যক্রমকে আরও ফলাফলমুখী করার পাশাপাশি প্রকল্পগুলোর রিস্কোপিং, রিডিজাইনিং ও রিফোকাসিং-এর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন অত্যন্ত পরিষ্কার, কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না এবং প্রত্যেক শিশু সঠিক শিক্ষা পাবে। সেই সঠিক শিক্ষার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা। আমরা চাই, একজন শিশু শুধু শিক্ষিত হবে না, সে যেন প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে ভবিষ্যতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে।

তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় করতে হবে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা, সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং দক্ষতা উন্নয়নে। শুধু ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা খাতে বাজেট নয়; এই বাজেটের প্রতিটি টাকা মানুষের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করতে হবে।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয়; মানুষকে এমন শিক্ষা দিতে হবে, যা তার জীবনমান উন্নত করবে, মূল্যবোধ তৈরি করবে এবং কর্মজীবনে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা তৈরি করবে।

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার এবং অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us