ঢাকা
১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
হাম প্রতিরোধে টিকাই একমাত্র পথ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী জাইকা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাক্ষাৎ শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ রিকশার জন্য তৈরি করা হচ্ছে নীতিমালা: ডিএসসিসি প্রশাসক ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী হালাল খাদ্যসংস্কৃতি ও মূল্যবোধ মানবসভ্যতার জন্য একটি বড় সম্পদ : তথ্যমন্ত্রী কোন কোন সড়কে চলবে ‘পিংক বাস’, থামবে যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
Advertise with us

হাম প্রতিরোধে টিকাই একমাত্র পথ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬   ৮ বার পঠিত
হাম প্রতিরোধে টিকাই একমাত্র পথ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আইসিইউ বা ভেন্টিলেটর দিয়ে নয়, সঠিক সময়ে কার্যকর টিকাদানের মাধ্যমেই কেবল হামের মতো মারাত্মক সংক্রামক রোগের বিস্তার ও মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ বিষয়ক কর্মশালা এবং গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

হাসপাতালটির রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগ এবং আইসিডিডিআর,বি-এর যৌথ উদ্যোগে এ গবেষণা ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, ‘২০২৪ সালের টিকাদান ক্যাম্পেইনে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া এবং নীতিগত গাফিলতির কারণে যে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তারই ফল আজকের এই মহামারি। হাজারটা ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ বেড বসিয়ে এই মৃত্যুর ঢল থামানো যাবে না। প্রতিরোধ এবং টিকাদানই এর একমাত্র সমাধান।”’

অবাস্তব আশ্বাসের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকাদানের গতি শতভাগ বাড়ালেও প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। তবে এ সময়ের মধ্যেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারির মাধ্যমে শিশুমৃত্যু কমিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে।

শিশু স্বাস্থ্যসেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের ৫টি বিভাগীয় শহরে নবনির্মিত ৫টি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে। তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্য (পেডিয়াট্রিকস), মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি—এই চার মূল বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে- জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের কথা জানিয়ে ডা. এম এ মুহিত বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে খুব দ্রুত ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। সংকট কাটাতে শিগগিরই ৫ হাজার নতুন চিকিৎসক এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

স্বাস্থ্য খাতের জনবল কাঠামোকে ভারসাম্যপূর্ণ (পিরামিড শেপ) করতে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্টদের অনুপাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মো. নুরুল ইসলাম এবং আইইডিসিআর-এর পরিচালক ডা. কাজী আহমেদ জাকি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক। অনুষ্ঠানে এই গবেষণার মূল ফলাফল ও তথ্য-উপাত্ত যৌথভাবে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম এবং আইসিডিডিআর,বি-র ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী ড. মুস্তাফিজুর রহমান।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us