ঢাকা
০৪ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতায় উন্নয়ন কাজ করতে চাই : ডিএনসিসি প্রশাসক গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, খসড়া অনুমোদন মন্ত্রীসভায় মোটরযানের জন্য কড়া নিষেধাজ্ঞা, আকস্মিক বিকট হর্ন দিলেই শাস্তির ব্যবস্থা ‘এত আন্দোলন করেন, সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দিলে দেশ চালাবে কে’ – প্রশ্ন প্রতিমন্ত্রী নুরের বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে জুলাইকে অস্বীকার করেছে: গোলাম পরওয়ার হাসিনাকে এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে: নাহিদ ইসলাম অনুষ্ঠানে বক্তব্যের আগে চোখে ব্যান্ডেজ বাঁধলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এনসিপি নেতাদের শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ না করার আহ্বান রিজভীর নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম সম্রাট কি তার ডিগ্রি দেখাবেন, মোদিকে ককরোচ নেতার চ্যালেঞ্জ
Advertise with us

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, খসড়া অনুমোদন মন্ত্রীসভায়

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬   ১৪ বার পঠিত
গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, খসড়া অনুমোদন মন্ত্রীসভায়

ছবি: সংগৃহীত

গুমের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে সম্পত্তি দানের আইনি সুরক্ষায় ‘দ্যা ট্র্যান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন করা হয়েছে।

আজ সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া আইনি জটিলতার কারণে বাতিল করা হয়েছে ২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক উত্থাপিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এ গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নতুন আইনটিতে গুমের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

তবে গুমের ফলে মৃত্যু ঘটলে, মরদেহ পাওয়া গেলে অথবা পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

আইনে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামোর কথা বলা হয়েছে।

এতে সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং পরবর্তী ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহার করে পরিবার পরিচালনার সুযোগ এবং পাঁচ বছর পর গুম সনদ প্রদানের মাধ্যমে সম্পত্তি বণ্টনের আইনি পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আইন ও বিচার বিভাগের উত্থাপিত ‘দ্যা ট্র্যান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন পাওয়ায় এখন থেকে পিতা-মাতা বা দাদা-দাদি নিজ জীবদ্দশায় ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করতে পারবেন। বিদ্যমান ১৮৮২ সালের আইনে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকায় দান করার পর দাতার নিজ জীবদ্দশায় তা ভোগ-ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট আইনি সুরক্ষা ছিল না।

বৈঠকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রস্তাবনায় ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই তালিকা ও পদ্ধতি প্রণয়ন করায় আদালতে রিট হলে এটি বিচারাধীন ছিল।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us