ছবি: সংগৃহীত
লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা আরও ১৭১ জন বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ সরকার, লিবিয়া কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেনগাজির গানফৌদা আটককেন্দ্রে থাকা এসব বাংলাদেশি বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে আজ সকাল ৬টা ২২ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় লিবিয়া সরকার ও আইওএমের সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সমন্বয় করে।
মন্ত্রণালয় জানায়, প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে অবৈধভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপজ্জনক সমুদ্রপথে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল তাদের। লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।
বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা এবং আইওএমের কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যাবাসিতদের অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের ভয়াবহ ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
আইওএম প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে ভ্রমণ ভাতা, খাদ্য সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করেছে, যাতে তারা দেশে ফিরে প্রাথমিকভাবে পুনর্বাসিত হতে পারেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে তারা লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সূএ :বাসস