স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের রোগীরা এখনো সঠিকভাবে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটাতে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারের এই লক্ষ্য অর্জনেই এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে দ্বিগুণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, রোগীর অতিরিক্ত চাপে কিছু কিছু হাসপাতালে একটি কক্ষে ৩০ থেকে ৪০ জন ডেঙ্গু রোগীকে গাদাগাদি করে সেবা দিতে হচ্ছে। ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্সদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে জানান, ডেঙ্গু রোগীদের সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উচ্চপ্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ব্যবস্থাকে উন্নত করাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
