ঢাকা
০৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবরার ফাহাদের নামে কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর ওপর সেতু নির্মাণের দাবি পরিবারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ কোরআন শিক্ষা উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার: রাষ্ট্রপতি আবরার ফাহাদ হত্যার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ১২ অক্টোবর ইউপি নির্বাচনের সময় জানানো হবে : ইসি সানাউল্লাহ মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি এবার ঢাকা-খুলনা লংমার্চে ১৫০ গাড়ি পাঠাবে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক আমরা ভারতবিরোধী নই, আধিপত্যবিরোধী: আসিফ মাহমুদ আ.লীগ ভারতবিরোধী কথা বলাকে অপরাধ হিসেবে দেখত: এমপি আখতার হোসেন
Advertise with us

১১ মাসেই কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের শিশু মুগ্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬   ৩০ বার পঠিত
১১ মাসেই কোরআনের হাফেজ ৮ বছরের শিশু মুগ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ করেছেন ৮ বছর ৩ মাস বয়সী রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ।

মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। সে উপজেলার দারুল কোরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মো. রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে মুগ্ধ। অল্প বয়সে তার এ সাফল্যে শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ বলেন, আমার পরিবার ও হুজুরদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ আমি হাফেজ হতে পেরেছি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভবিষ্যতে আমার হাফেজ ও ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

মাদ্রাসাটির মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘মুগ্ধ পরিবারের সঙ্গে থেকে নিয়মিত মাদ্রাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদ্রাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।’

মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সে আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ১১ মাসে সে হাফেজ হতে পেরেছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

‘আমার ছেলের স্বপ্ন বড় হয়ে ডাক্তার হওয়া এবং হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া। মহান আল্লাহ যেন তাকে কবুল করেন এবং তার স্বপ্ন পূরণ করেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই’-উল্লেখ করেন তিনি।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us