ঢাকা
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় নতুন পরিকল্পনা, খনন হচ্ছে ১৫০টি কূপ: মাহ্দী আমিন ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি: জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ঢাবি প্রশাসন দেশে ‘বৈদ্যুতিক ট্রেন’ চালুর ঘোষণা, চলবে যেসব রুটে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংস্কার নিয়ে ফরাসি সিনেটরদের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক ডাকসু থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা মুছে ফেলার সুযোগ নেই: আ স ম রব চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কবর রচনা করবে বিরোধী দল: জামায়াত আমির ঢাকার ২ সিটিতে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা: উত্তরে সেলিম উদ্দিন, দক্ষিণে সাদিক কায়েম শুধু ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, রাষ্ট্রের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি- শিবির সভাপতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ফেসবুক লাইভে আসবেন আসিফ মাহমুদ
Advertise with us

স্ত্রীর বকুনি থেকে বাঁচতে কী করেন অমিতাভ?

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬   ৪৬ বার পঠিত
স্ত্রীর বকুনি থেকে বাঁচতে কী করেন অমিতাভ?

ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক :রাগ নিয়ে কোনো প্রতিযোগিতা হলে নিঃসন্দেহে প্রথম হতেন জয়া বচ্চন! কেননা পান থেকে চুন খসতেই দাঁত-মুখ খিচিয়ে ওঠেন। যাকে তাকে ধাক্কা দেন, মেরে বসেন চড় থাপ্পড়। স্ত্রীর বকনি থেকে বাদ যান না অমিতাভ বচ্চনও। সম্প্রতি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র একটি পর্বে স্ত্রীর কড়া শাসনের কথা স্বীকার করেন তিনি।

শোয়ে এক প্রতিযোগীর সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিযোগী অভিনেতাকে প্রশ্ন করেন শুটিং শেষে বাড়ি ফিরতে দেরি হলে জয়া বচ্চন তাঁকে বকাঝকা করেন কি না। উত্তরে অমিতাভ অকপটে স্বীকার করেন, শুটিংয়ের কারণে ফিরতে দেরি হবে বুঝলেই তিনি আগেভাগে পরিবারের সকলকে জানিয়ে দেন। এমনকি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও রয়েছে।

অমিতাভ বলেন, ‘আমি জানি কী হতে পারে। তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তৈরি গ্রুপে একটা মেসেজ পাঠিয়ে দিই। হাত জোড় করে তাতে লিখে দিই শুটিং চলছে এবং ফিরতে একটু দেরি হবে। যেন আমার জন্য রাতের বেলা কেউ খাবার নিয়ে বসে না থাকে। সবাইকে আগে জানিয়ে রাখাই বড় বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়ে দেয়।’

অমিতাভ আরও যোগ করেন,  ‘জয়াকে যদি আগে থেকে না জানাই তাহলে নিশ্চিত বকুনি খেতে হবে। জিজ্ঞেস করবে, ‘কোথায় ছিলে? আমাদের জানালে না কেন? এটা কি বাড়ি ফেরার কোনো সময়?’ তবে খুব বেশি দেরি করলে জয়া তখন আর জেগে থাকে না। নিজের মতো খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।

কথায় কথায় অমিতাভ আরও জানান, বাড়িতে অনেক সময় কাজের বুয়া না থাকলে ঘরের সমস্ত কাজ তাকে নিজেই সামলাতে হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে টুকিটাকি সব কাজ তিনি নিজেই করেন। বলেন, “রান্না করতে তো জানি না। তাই কখনও বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে নিই। আবার কখনও জয়ার কাছে গিয়ে হাতজোড় করে বলি— ‘দেবীজি, একটু কিছু বানিয়ে দাও।”

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us