ঢাকা
২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
স্বাধীনতা যুদ্ধের বাঁশি বাজিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: রিজভী এবার অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবুর বাড়িতে চুরি গ্যাস-বিদ্যুৎ-সার নিয়ে সংসদ ও রাজপথে সরব হবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম ২০৩০ সালের আগে সব ধর্মীয় উপাসনালয় সম্মানিভাতার আওতায় আসবে: রাষ্ট্রপতি ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ পুলিশে বড় ধরনের রদবদল: দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাঙালি মুসলমানের আইডেন্টিটি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন বলেই হাদিকে টার্গেট করা হয়: মাহমুদুর রহমান অনিবার্য কারণে রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত অন্যায়ভাবে কেউ যেন জেলে না থাকে, তা নিশ্চিত করবে সরকার: শামা ওবায়েদ
Advertise with us

নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬   ৪৫ বার পঠিত
নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ছবি: ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা আল আমিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পৌর শহরের টিনপট্টি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত তিনটার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আল আমিনের বয়স ৪০ বছর। তিনি ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। একই সঙ্গে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক ছিলেন। তিনি সারের ব্যবসা করতেন। ভৈরব বাজারে তাঁর রিভারভিউ নামে একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আল আমিন পৌর শহরের আড়াইবেপারী বাড়ির জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি যুবলীগের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দুবার কারাগারেও ছিলেন তিনি। বর্তমানে জামিনে ছিলেন।

জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আল আমিন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রিভারভিউ হোটেলে ছিলেন। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেল নিয়ে সেখান থেকে বাসার উদ্দেশে রওনা হন। বাসার সড়কে ঢুকে কিছুদূর যাওয়ার পর দুর্বৃত্তরা তাঁকে ঘিরে ধরে। এরপর তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।

আল আমিনের মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর একটি পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত তিনটার দিকে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা গণমাধ্যমকে বলেন, আল আমিনের বাসায় যাওয়ার সড়কটি রাতে বেশ নির্জন থাকে। চিৎকার শুনে তাঁরা সেখানে গিয়ে কয়েকজনকে চলে যেতে দেখেন। তখন আল আমিন সড়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তাঁর মাথা ও মুখ রক্তে লাল হয়ে যাওয়ায় প্রথমে তাঁকে চেনাও যায়নি।

আল আমিনের স্ত্রী তানিয়া খানম জানান, রাত ১১টা ৪০ মিনিটে স্বামীর সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ কথা হয়। তখন আল আমিন তাঁকে জানিয়েছিলেন, তিনি হোটেলে আছেন এবং পাঁচ মিনিটের মধ্যে বাসায় ফিরবেন। তাঁকে রাতের খাবার প্রস্তুত রাখতে বলেছিলেন আল আমিন।

তবে কেন বা কারা তাঁকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তানিয়া খানম।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহাবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us