ঢাকা
১৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
সংবিধান সংশোধন সংসদেই সম্ভব, রাজপথে বলে লাভ নেই : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বিজয়ে বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১১ জন গ্রেফতার সাংবাদিকরা হবেন তথ্য কমপ্লেক্সের প্রথম ব্যবহারকারী : তথ্যমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগো দেখানোর কিছু নেই-সবাইকে নিয়ে বসুন: শিশির মনির যেকোনো মূল্যে ৭০ অনুচ্ছেদ সংধোশন করতে হবে: ১১ দলীয় জোট রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে জ্বালানি সংকট সমাধানের পরিকল্পনা জানালেন হাসনাত
Advertise with us

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬   ৪৪ বার পঠিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

ছবি: ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন খারিজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ এ রিট করেন।

রিট আবেদনে ১৯৭৩ সালের আইনটিকে ‘অপ্রচলিত’, ‘কার্যকারিতাহীন’ এবং ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা বাতিলের পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে রিট বিবাদী করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সংঘটিত অপরাধের বিচারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের এখতিয়ার দিয়ে ১৯৭৩ সালের এ আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল।

এর মূল উদ্দেশ্য বা রেশিও লেগিস ছিল মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগীদের বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সম্পাদিত শিমলা চুক্তি ও ত্রিপক্ষীয় দিল্লি চুক্তির মাধ্যমে সমস্ত যুদ্ধবন্দীদের নিঃশর্ত প্রত্যাবাসন ঘটে। ফলে এই আইনের অধীনে বিচারের সম্ভাবনা তখনই শেষ হয়ে যায়।

রিটে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে অকার্যকর আইনটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুনরুজ্জীবিত করা হয় এবং তৎকালীন বিরোধী দলের নেতাদের টার্গেট করে ‘বিচারিক হত্যা’র মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নির্মূলে এটি ব্যবহার করা হয়।

আবেদনকারীর মতে, এই আইনের প্রয়োগ সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) এবং ৩৫ অনুচ্ছেদের (বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ) স্পষ্ট লঙ্ঘন। তাছাড়া সংবিধানের ৯৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকরা কেবল হাইকোর্ট বিভাগেই আসন গ্রহণ করতে পারেন। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক দিয়ে ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ পরিচালনা সংবিধান পরিপন্থি। কিন্তু তা করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনকে হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিটে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us