ঢাকা
১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী খুলনায় ছিনতাইকারীর হামলায় আহত পুলিশ সদস্যকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুপুরে হাসিনার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকা: চিফ হুইপ তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ আগামী ৯ নভেম্বর বসছে সংসদের চতুর্থ অধিবেশন স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ৩ দিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আল্লামা নূরুল হক বটগ্রামীর ইন্তেকালে হেফাজতের গভীর শোক প্রকাশ ‘সবার আগে মন্ত্রী-এমপির পরিবার, বাংলাদেশ না’, পুরোনো পোস্ট আবারও শেয়ার দিলেন হাসনাত
Advertise with us

অভিজাত হোটেল আমারি ও দুই বারে অভিযান

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬   ২৭ বার পঠিত
অভিজাত হোটেল আমারি ও দুই বারে অভিযান

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পাঁচ তারকা মানের হোটেল আমারি, কিংফিশার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে পারমিট ছাড়া মদ্যপান এবং বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার বিলাতি মদ উদ্ধারসহ বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে হোটেল আমারি, কিংফিশার বার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের শর্ত পালন ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা হয়।

অভিযানে হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানরত সাতজনকে পাওয়া যায়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ছাড়া, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরুর বিলাতি মদ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযান পরিচালনাকালে ব্লিজ আর্ট বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম অধিকতর যাচাইয়ের লক্ষ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, লাইসেন্সের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপপরিচালক রাজিউর রহমান।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us