ঢাকা
২৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
স্বাস্থ্য খাতে স্বস্তির বার্তা, দ্রুত কাটবে হাসপাতালের সংকট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই শহিদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার হওয়া উচিত: ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কথা কম, কাজ বেশি নীতিতে চলবে ডিএনসিসি : প্রশাসক অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ দিন বন্ধ কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
Advertise with us

টি-টোয়েন্টিতে ভারতের নতুন বিশ্বরেকর্ড

ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬   ১৫ বার পঠিত
টি-টোয়েন্টিতে ভারতের নতুন বিশ্বরেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বড় সংগ্রহ গড়া যেন ভারতের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতারই নতুন অধ্যায় লিখল তারা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে। হারারেতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২১৯ রান তোলে ভারত, আর সেই সঙ্গে গড়ে ফেলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির নতুন বিশ্বরেকর্ড।

২০২৬ সালে এটি ভারতের নবম ২০০ বা তার বেশি রানের ইনিংস। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টির ইতিহাসে কোনো দল এক ক্যালেন্ডার বছরে এতবার ২০০-এর গণ্ডি স্পর্শ করতে পারেনি। এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ডটিও ছিল ভারতেরই। ২০২৪ সালে তারা নয়বার ২০০+ সংগ্রহ গড়েছিল। তবে এবার মাত্র ২৩ ম্যাচ খেলেই সেই মাইলফলক স্পর্শ করে নতুন রেকর্ড নিজেদের দখলে নিল তারা।

তবে বছর শেষ হতে এখনও অনেক সময় বাকি। সামনে রয়েছে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সিরিজ ও টুর্নামেন্ট। ফলে বছরের শেষে এই রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। ২০২৪ ও ২০২৬—দুই বছরই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বছর। আগের আসরে রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত ২৬ ম্যাচে নয়বার ২০০ বা তার বেশি রান তুলেছিল। এবার বিশ্বকাপের পর নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। সূর্যকুমারের জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। অধিনায়ক বদলালেও ভারতের ব্যাটিং দর্শনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও শুরু থেকেই দ্রুত রান তুলতে থাকে ভারত। যদিও দুই ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী ও অভিষেক শর্মাকে দ্রুত হারায় তারা, এরপর ইনিংসের হাল ধরেন ঈশান কিষান। মাত্র ৪৪ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ২৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেললেও শেষদিকে ঝড় তোলেন তিলক বর্মা। মাত্র ২৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৬০ রান করে ভারতের সংগ্রহ ২১৯ রানে নিয়ে যান তিনি। রিংকু সিং ও শিবম দুবেও শেষ ওভারগুলোতে প্রয়োজনীয় গতি যোগ করেন।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট ১৯ বলে ৩২ রান করে দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। একসময় ৩৪ রানেই দুই উইকেট হারানোর পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা।

ভারতের বোলাররাও ব্যাটারদের মতোই ছিলেন কার্যকর। অভিষেক শর্মা বল হাতে তিনটি উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের শেষ প্রতিরোধও ভেঙে দেন। যশ ঠাকুর ও প্রিন্স যাদব নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া রবি বিষ্ণোই, শিবম দুবে ও তিলক বর্মাও একটি করে উইকেট শিকার করেন। ফলে ১৭.৫ ওভারেই ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

৯০ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নেয় ভারত। একই সঙ্গে মাঠের জয়ের পাশাপাশি পরিসংখ্যানের পাতাতেও নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল তারা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us