ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলে একযোগে ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নাগরিকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে শনিবার এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় অঞ্চল-১ ও ২ এর যৌথ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা দিবসকে ফলপ্রসূ করতে ডিএসসিসি এলাকায় প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
এ কর্মসূচির আওতায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, শপিং কমপ্লেক্স ও নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়। একই সঙ্গে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, জনসচেতনতামূলক র্যালি, লিফলেট বিতরণ এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সামাজিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় ডিএসসিসি আবদুস সালাম বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ে তোলা শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে কাজ করলেই একটি সুন্দর শহর গড়ে তোলা সম্ভব। প্রত্যেকে যদি নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি এবং এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে এমন স্থানে পানি জমতে না দিই, তবে এই মৌসুমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। পাশাপাশি যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেললে শহর যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি খাল ও ড্রেন সচল থাকায় জলাবদ্ধতাও কমবে।’
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিএসসিসি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি আরও জোরদার করবে, যাতে নগরবাসী পরিচ্ছন্নতা রক্ষাকে তাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করেন।
কর্মসূচিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব মো. জয়নুল আবেদীন এবং ডিএসসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সর্বস্তরের নাগরিক এই কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।