ঢাকা
০৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সেই ভুল আর করা চলবে না: শামা ওবায়েদ আমি নিশ্চিত, প্রতিশোধ প্রশ্নে মা বলতেন ‌‘তোমার দায়িত্ব সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে যাওয়া’ জুলাই শহীদের জননীর কান্নায় আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী ‘পুরস্কার দিলেই ছুটে যান মোদি’- কংগ্রেসের কটাক্ষে নতুন বিতর্ক অভিনেত্রী শাওন-মাহিসহ তিন নারীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ আওয়ামী লীগের দাফন হয়ে গেছে দিল্লিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামকে প্রধান লজিস্টিক হাব গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দল-মত ভুলে মানুষ রাস্তায় নামে, তাদের সম্মান করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
Advertise with us

হৃদরোগের অস্বাভাবিক আচরণ

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬   ১২ বার পঠিত
হৃদরোগের অস্বাভাবিক আচরণ

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

ডা. এম শমশের আলী :হৃৎপিন্ডে অক্সিজেনের চাহিদা বিশ্রামকালীন সময়ের চাহিদার চেয়ে অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়। সুতরাং যারা হৃদরোগে ভুগছেন তাদের রক্ত সরবরাহের অপ্রতুলতা থাকায় পরিশ্রমকালীন সময় প্রয়োজনীয় পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। ফলশ্রুতিতে হৃৎপিন্ডের ব্যথা বা বুক ব্যথা যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এনজিনা বলা হয়ে থাকে তা পরিলক্ষিত হয়। আবার বিশ্রামকালীন বা পরিশ্রম করা থেকে বিরত হলে হৃৎপিন্ডে অক্সিজেনের চাহিদা কমে যাওয়ায় সরবরাহের ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। ফলে উপসর্গগুলো দ্রুত কমে যেতে থাকে। এত গেল হৃদরোগের স্বাভাবিক বর্ণনা যা শতকরা ৮০ জন হৃদরোগীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। তবে শতকরা ২০ জন রোগীর ক্ষেত্রে হৃদরোগের স্বাভাবিক আচরণ পরিলক্ষিত না হয়ে অন্য ধরনের উপসর্গ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। এসব রোগী প্রাথমিক অবস্থায় নিজেও বুঝতে পারেন না যে, তারা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সাধারণ চিকিৎসকরাও প্রায় ক্ষেত্রেই রোগ নির্ণয়ে জটিলতার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। যার ফলে রোগীরা বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন। কেউ কেউ কবিরাজি বা হোমিও চিকিৎসকেরও শরণাপন্ন হয়ে রোগমুক্তির চেষ্টা করতে থাকেন। অনেক ডায়াবেটিস রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, অনেক বয়োবৃদ্ধ রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হলে অস্বাভাবিক উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। যেমন- পরিশ্রম করতে গেলে তারা খুব তাড়াতাড়ি হাঁপিয়ে উঠেন, তাদের হাঁটা চলাফেরার যোগ্যতা খুব তাড়াতাড়ি কমে যায়, অনেকের চোয়ালে ব্যথা অনুভব করেন, অনেকে মনে করেন দাঁতে ব্যথায় আক্রান্ত হয়েছেন। কারও কারও ঘাড় বা পিঠে ব্যথা হয়ে থাকে, কেউ কেউ খাবার পরে শ্বাসকষ্টে বা অস্থিরতায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। কেউ কেউ রাতে শুতে গেলে শ্বাসকষ্ট, শুকনো কাশি অথবা অস্থিরতা বোধ করে থাকেন। কারও শ্বাসকষ্টের জন্য রাতে ঘুম ভেঙে যায় এবং প্রায়ই বিনিদ্র রজনী অতিবাহিত হয়। আবার অনেকে শুধু হাত বা বাহু বা কাঁধের ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। কেউ কেউ পেটের উপরের অংশের ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং এসব ব্যথার জন্য গ্যাসের ঔষধ সেবন করেও কোনো পরিত্রাণ লাভ করেন না। কারও কারও মাথা ঘোরা বা বমি বমি ভাব পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। এ জন্য নিজের শরীরের প্রতি যত্নবান হতে হবে। প্রতিকার নয় প্রতিরোধ সর্বদা উত্তম।

লেখক: চিফ কনসালটেন্ট, শমশের হার্ট কেয়ার, শ্যামলী, ঢাকা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031